দ্য পিপল ডেস্কঃ করোনার ত্রাসে গোটা বিশ্ব লকডাউন। বন্ধ করা হয়েছে হোটেল, রেস্টুরেন্টও। ভারতেও জারি হয়েছে ২১ দিনের লকডাউন।

কিন্তু এই লকডাউনের মধ্যে ছাড় দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু জিনিসের ওপর। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল জল, বিদ্যুত, জরুরি পরিষেবা ও জোমাটো-সুইগির মতো খাদ্য প্রস্তুতকারী সংস্থার ওপর।

কিন্তু দেশের একাধিক প্রান্ত থেকে অভিযোগ উঠছে, এলাকার গুণ্ডা বা মস্তানদের দ্বারা হেনস্থা হতে হচ্ছে জোমাটো ডেলিভারি বয়দের।

এই নিয়ে জোমাটো মুখপাত্র জানান, লকডাউন চালকালীন বিভিন্ন এলাকায় ডেলিভারি বয়রা খাবার দিতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হয়েছেন। এই বিষয়টি কমিটির কাছে জানানোর চেষ্টা করছি।

আশা করছি শীঘ্রই এটি নিয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কারণ ওঁরা এই পরিস্থিতিতে মানুষেরই সেবা করছেন।

কিছুদিন আগেই জোমাটো সিইও দিপন্দর গোয়েল টুইট করে জানান যে, আমরা এলাকার রেস্টুরেন্টগুলিুর সঙ্গে একত্রে কাজ করতে চাই।

বিশেষ করে দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকের মতো রাজ্যের মানুষদের কাছে কম সময়ে অর্ডার পৌছানোর জন্য নিকটবর্তী ই-কমার্সের হোটেল ব্যবস্থা করা হবে। তবে আশ্বস্ত করতে হবে যে কোনও পরিস্থিতে খাবার ব্যবস্থা করতে পারবেন।

অন্যদিকে, আরেক ফুড ডেলিভারি জায়েন্ট সঠিক সময় খাবার পরিবেশন ও মান খারাপের জেরে একাধিক দোকানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চলেছে। এর ফলে জরুরি অবস্থায় সমস্যায় পড়তে পারেন সাধারণ মানুষ।