দ্য পিপল ডেক্সঃ নিতম্বিনীরাই নজর কাড়েন পুরুষের। সুপ্রাচীন কালেও তাই ছিল। আদম-ইভের সময়ও তাই। তার পর কালীদাসের সময়ও তাই। আর আজকের দিনেও তো আমরা প্রেমে পড়ি নিতম্বিনীর।

স্তনের পরেই নারী শরীরে যে অঙ্গটি পুরুষকে আকর্ষণ করে, তা হল তাঁর নিতম্ব। যাঁদের নিতম্ব গুরুভার, তাঁরা নজর কাড়েন সহজেই। পুরুষরা ভাবেন, নিতম্ব ভারী হলেই সেক্সি হন মহিলারা। পুরুষদের এই ভাবনাতেই এবার শিলমোহর দিলেন সমীক্ষকরা। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, যাঁরা নিতম্বিনী, তাঁরা অন্যদের তুলনায় বেশি সেক্সি হন। যৌন খেলায় তাঁরা বিশেষ পারদর্শীও। তিন হাজার নিতম্বিনীর ওপর সমীক্ষার শেষে সমীক্ষকরা এই সিদ্ধান্তে আসেন।

 

সৃষ্টির সেই আদিম কালেও নিতম্বিনী ইভের প্রেমে পড়েছিলেন আদম। ইভের কুচযুগ দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন মানুষের প্রথম পুরুষ। তিনি নিশ্চয়ই নিজের বুকে হাত দিয়ে দেখেছিলেন, ইভের শরীরে বর্তুলাকার যে বস্তু দুটি আছে, তা তাঁর শরীরে নেই। তার পরেই আদমের নজর পড়েছিল ইভের নিতম্বে।আদমের বুকে কামনার আগুন জ্বলেছিল সেই মুহূর্তেই।তার পর সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতেছিলেন পৃথিবীর প্রথম নারী-পুরুষ।

 

গুরুভার নিতম্বিনীর দেখা মেলে কালীদাসের লেখায়ও। কালীদাসের অনেক নায়িকারই নিতম্ব গুরুভার। তাঁদের শরীরের যে বর্ণনা মেলে লেখায়, সেখানেও আমরা তাঁদের লাস্যময়ী রূপেরই ছবি দেখি। এই নারীরাই পাঠকের মন কেড়েছে। স্থায়ী আসন করে নিয়েছে পাঠকের হৃদয়ে।

 

কালীদাসের কাল বাদ দিলেও আজও সেই নিতম্বিনীরাই চোখ টানে। নিতম্ব গুরুভার হলে যোনি চওড়া হয় বলে মনে করেন পুরুষরা। তবে এর কোনও সত্যতা মেলে না।  কারণ, নিতম্বের সঙ্গে যোনির সম্পর্ক খুবই সামান্য। তবে এটা ঠিক নিতম্ব ভারী হলে যোনি হবে মাংসল।

আর কে না জানে, যোনি মাংসল হলে আদতে আরাম হয় পুরুষেরই। কারণ, প্রিয়তমার শরীর সমুদ্রে সাঁতার কাটতে গিয়ে প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ যখন সুখের সন্ধানে ডুব দেয় যোনি-গহ্বরে, তখনই পুরুষ উঠে যান সুখের তুঙ্গ মুহূর্তে। প্রিয়তমকে খুশি করতে ঠিক তখনই নিজেকে মেলে ধরেন নারীও।তাঁর স্তন, তাঁর শরীর সবই তিনি উতসর্গ করেন তাঁর পুরুষ দেবতাকে।যাঁর জন্য তিল তিল করে তিনি করেছিলেন শরীর-সজ্জা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here