দ্য পিপল ডেস্কঃ শুরু থেকেই খারাপ খবরের ঝুলি নিয়ে এসেছে ২০২০। কখনো মহামারী, কখনো ভূমিকম্প, কখনও দাবানল। একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে পৃথিবীর বুকে।

তার ওপর খবর রটেছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই নাকি ধ্বংস হতে চলেছে পৃথিবী। ধারণাটি এসেছে মায়া ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে। ১৫৮২ সালের আগে পৃথিবীতে ব্যবহার হতো মায়া ক্যালেন্ডার মতো বিভিন্ন ধরনের ক্যালেন্ডার।

বর্তমানে যদিও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হয় পৃথিবীর বুকে। ২০১২ সাল শুরুর আগে অনেকেই পৃথিবী ধ্বংসের কথা বলেছিলেন। ফের ২০২০ সালে উঠে এসেছে সেই তথ্য।

অন্যদিকে ২১ জুন সূর্যগ্রহণ। কারো কারো মতে এই দিনে ধ্বংস হবে পৃথিবী। মায়া ক্যালেন্ডার মতে সেই জল্পনাই ছড়িয়েছে।

আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার ১২৫ বছর আগে তৈরি হয়েছিল মায়া ক্যালেন্ডার। ২০১২ সালে ধ্বংসের যে জল্পনা ছড়িয়েছিল, তাতে ভুল খুঁজে পেয়েছে বিশেষজ্ঞরা।

তাঁরা হিসেব কষে দেখেছেন পৃথিবী ধ্বংস হবে এই বছর। হাতে রয়েছে মাত্র এক সপ্তাহ। এই বছরের শুরু থেকে বিশ্বে যে ভয়ানক পরিস্থিতি ঘনিয়ে এসেছে তাতে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ায় কিছু আশ্চর্য হচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

অন্যদিকে, চেন্নাইয়ের এক পরমাণু বিজ্ঞানী দাবি করলেন যে, ২১জুন পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে করোনা। ওইদিন সূর্য গ্রহণের সঙ্গে এই ভাইরাসের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

অনেকে বলেছেন, রাসায়নিক গবেষণাগার থেকেই এই ভাইরাসের জন্ম। আবার অনেক বিজ্ঞানী বলেছেন যে, প্রকৃতি থেকেই এই ভাইরাসের উৎপত্তি।

এরই মধ্যে চেন্নাইয়ের পরমাণু বিজ্ঞানী ডঃ কে সুন্দর কৃষ্ণা জানিয়েছেন, করোনা কোনওভাবেই রাসায়নিক ল্যাবরেটরি থেকে উৎপন্ন করা হয়নি। এটি একটি মহাজাগতিক ঘটনা।

চেন্নাইয়ের এই বিজ্ঞানী বলছেন, গত বছর ২৬ ডিসেম্বর ছিল সূর্যগ্রহণ। তারপর থেকেই চিনে এই ভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে।

তাই পরবর্তী সূর্যগ্রহণ অর্থাৎ একুশে জুন এই ভাইরাসের বিনাশ হবে। তাই গোটা বিশ্বের নজর এখন ২১ জুনের দিকে। ধ্বংস কার হয় পৃথিবীর না করোনার?