দ্য পিপল ডেস্কঃ  একদা যিনি ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর ছায়া সঙ্গী, আজ তিনিই মমতার মায়া ছেড়ে নাম লিখিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে।  দলবদলের পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে একের পর এক তোপ দেগেছেন মুকুল রায়। এদিনও মুকুলের নিশানা থেকে বাদ গেলেন না মুখ্যমন্ত্রী। 

“আমরা পাপ করেছি, আমাদের মতো কিছু সৈনিক লড়াই করে এই বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী করেছি, আমরা পাপ করেছি। নেতাজি ইন্ডোরে বিজেপির অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে ঠিক এইভাবে আরও একবার এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়।

নেতাজি ইন্ডোরে বিজেপির সভা থেকে মুকুল রায় আগামী বিধানসভা ভোটের ফল নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। বলেন, লোকসভা ভোটের আগে বলেছিলাম, মমতা ২০ পেরতে পারবেন না। ২২ এ আটকে গেছেন।

এবার বলছি, মমতা বিধানসভায় ৬০ পেরতে পারবেন না। কারণ, বিজেপির কর্মীরা এখন আর ভয় পাচ্ছেন না। বিজেপির কর্মীরা এখন বলছেন, লড়কে লেঙ্গে।   

এদিন মুকুল রায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৩৫-এ ধারা, ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে কোনো কথা বলতে পারছেন না। শুধুমাত্র বলছেন, পদ্ধতিগত সমস্যা আছে। এটা ভোট রাজনীতি, ভোট রাজনীতি করার জন্য এমনটা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলের করুণ অবস্থা।  

বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন পড়েছেন এনআরসি নিয়ে। বার বার বলছেন বাংলা থেকে কাউকে যেতে দেব না। বাজার গরম করার জন্য এসব বলছেন। উনি জানেন না, অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থীর পার্থক্য কী, তাই এমন বলছেন।

আগে সিটিজেনশিপ অ্যামেনমেন্ট বিল পাশ হবে তার পর এরাজ্যে এনআরসি হবে। এনআরসি করতে না দেওয়ার জন্য এখন সিটিজেনশিপ অ্যামেনমেন্ট বিলের বিরোধিতা করছে তৃণমূল। 

শুরু হয়ে গিয়েছে নবরাত্রি। তৃতীয়ার দিন সল্টেলেকের বি জি ব্লকে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনের পাশাপাশি নেতাজী ইন্ডোরে জনজাগরণ সভায় অংশ নিতে কলকাতায় পা রাখলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। এদিন অমিত শাহর উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে শামিল হলেন রাজারহাট বিধান নগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here