সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মত্স্যজীবীদের ফিরে আসার নির্দেশ দিচ্ছে উপকূলরক্ষী বাহিনী

দ্য পিপল ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে জারি হয়েছে রেড এলার্ট। পঞ্চায়েতগুলিতে দুর্যোগ মোকাবিলার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে ।


আর এসব শুনেই ভয়ে কাঁপতে শুরু করেছে সুন্দরবন। ইতিমধ্যেই মানুষজনের মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ঘর গোছানোর তোড়জোড়।


আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ১৭ মে থেকে ঘূর্ণিঝড় উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে। তারপর সেটি বাঁক নেবে উত্তর ও উত্তর পূর্ব দিকে।


ধাবমান হবে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর অর্থাৎপশ্চিমবঙ্গের উপকূলের উপর দিয়ে। ১৮ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে আছে পড়বে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান।


প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় ফণী বুলবুলের ক্ষত না শুকোতেই আবার এক নতুন এই ঘূর্ণিঝড় আসছে। সেই খবরের মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে যথেষ্ট আতঙ্ক।


কারণ মাঠে পেকে পড়ে আছে বোরো ধান। বহু জমিতে এখন ধান কাটা বাকি।


লকডাউনের কারণে বহু মানুষ সুন্দরবন থেকে কাজের জন্য বাইরে গিয়ে আটকে পড়েছে বাইরে রাজ্যগুলিতে। ফলে মিলছে না শ্রমিক। শুধু ধান নয় রয়েছে আর ফসল।


ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবীদের সমুদ্র বা নদীতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বনদপ্তর এর বিভিন্ন অফিসগুলোতে ও জারি করা হয়েছে ঝড়ের সতর্কবার্তা।


হাওয়া অফিসের পাওয়া খবর অনুযায়ী ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ১১০০ কিলোমিটার। দিঘা থেকে ১২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে এটি।


কোথাও কোথাও শুরু হয়েছে হালকা দমকা হাওয়া।


তবে এই ঝড় যখন আছড়ে পড়বে তখন ঘণ্টায় গতিবেগ কত থাকবে তার ওপর নির্ভর করছে এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।


জেলাশাসকের তরফ থেকে সমস্ত এলাকাতে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।