দ্য পিপল ডেস্ক : করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করতে মুখিয়ে রয়েছে বিশ্বের সব দেশ।

রাশিয়া ভ্যাক্সিন তৈরি করে ফেলার দাবি জানালেও তাকে ভরসা করতে পারছে না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

যদিও এই প্রতিষেধক নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের না করেই প্রতিষেধক সাধারণের জন্য ব্যবহার যোগ্য বলে ঘোষণা করেছে পুতিন সরকার।

তাই আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো চিন, ভারত সকলেই যোগ দিয়েছে প্রতিষেধক তৈরির দৌড়ে।

ভারতও পিছিয়ে নেই এই দৌড় থেকে। ভারতেও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছিল।

ভারতে প্রতিষেধকের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ছাড়পত্র পেয়েছিল শ্রীরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া।

কিন্তু সুরক্ষা সংক্রান্ত ছাড়পত্রের অভাবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি কোভিশিল্ডের তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা থমকে গেল।

সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহ থেকে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হওয়ার কথা ছিল। ব্রিটেনের এক স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে অন্য রকম প্রভাব পড়েছে।

এরপরই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে চারটি দেশে ট্রায়াল থমকে গিয়েছে।

সূত্রের খবর, সিরাম ইনস্টিটিউটকে দেশের ড্রাগ কন্ট্রোলার ডিসিজিআই বুধবার শোকজ নোটিশ জারি করেছিল।

সেখানে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সব জায়গায় ট্রায়াল বন্ধ রাখা হয়েছে। ভারতে কেন সেই কাজ চলছে?

সিরাম ইনস্টিটিউট একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে ট্রায়াল পদ্ধতি।

তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ওই স্বেচ্ছাসেবক অসুস্থ হয়ে পড়ায় নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে ভ্যাক্সিনের বিভিন্ন উপাদানের সঠিক মাত্রা।

অক্সফোর্ডের তৃতীয় ট্রায়াল নেওয়া অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবককে বিশেষ নজরদারিতে রাখার পাশাপাশি তার অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারক সংস্থা অ্যাস্ট্রোজেনেকার তরফে জানানো হয়েছে, সুরক্ষার জন্যই ট্রায়াল পদ্ধতি আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে।

এরপর সংস্থার রিভিউ কমিটি পুনরায় ভ্যাক্সিনটির ক্ষতিকর প্রভাব আছে কিনা তা খতিয়ে দেখবে।

সেখানে স্বেচ্ছাসেবকের শারীরিক অবস্থাও খতিয়ে দেখা হবে। কমিটি ছাড়পত্র দিলে তবেই ফের শুরু হবে ভ্যাকসিন ট্রায়ালের কাজ।