ন্যায্য বেতনের দাবীতে 01

দ্য পিপল ডেস্কঃ উচ্চ শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর পরেই ন্যায্য বেতনের দাবীতে রাজপথে নামলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতায় বিক্ষোভ দেখায় কয়েক হাজার শিক্ষক। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের কথা ছিল আন্দোলনকারী শিক্ষকদের।

কিন্তু শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ি পৌঁছানোর আগেই তাঁদের বাঘাযতীন মোড়ে আটকে দেয় পুলিশ।

ন্যায্য বেতনের দাবীতে রাজপথে প্রাথমিক শিক্ষকরা

প্রথমে বাঘাযতীন পার্কে নিজেদের অবরোধ সরিয়ে নিয়ে যান বিক্ষোভকারিরা। পরে বাঘাযতীন পার্ক থেকে বিক্ষোভ সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হলে বিক্ষোভের আকার ক্রমশ বাড়তে শুরু করে।

ন্যায্য বেতনের দাবীতে 02

ইতিমধ্যেই রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছেন শিক্ষকদের একাংশ। 

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোনও সুরাহা হয়নি। এর আগেও একাধিকবার শিক্ষামন্ত্রীর তরফে তাঁদের দাবী শোনা হয়েছিল কিন্তু অফিসিয়ালি কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় এখনও অবধি বিক্ষোভে অনড় শিক্ষকরা। 

এর আগেও ন্যায্য বেতনের দাবীতে রাজপথে প্রাথমিক শিক্ষকরা নেমেছিলেন

লোকসভা নির্বাচনের আগেই ন্যায্য বেতনের দাবীতে সল্টলেকের উন্নয়ন ভবনের সামনে টানা ১৪ দিন অনশনে কর্মসূচী চালিয়ে যান শিক্ষকরা।

চাপে পড়েই শিক্ষকদের দাবী মেনে নিতে রাজি হয় রাহ্য সরকার। যদিও সরকারের তরফে তাঁদের দাবী সম্পুর্নভাবে মেনে নেওয়া হয়নি। এমনটাই দাবী করেন আন্দোলনকারী শিক্ষকদের একাংশ। 

প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড পে ছিল ২৬০০ টাকা। পরবর্তীকালে গ্রেড পে ৩৬০০ টাকা করে সরকার। কিন্তু ৪২০০ টাকা গ্রেড পে দাবী করেছিল প্রাথমিক শিক্ষকরা। কিন্তু প্রত্যাশামতো বাতন না মেলায় এদিন আবারও পথে নামলেন তাঁরা। 

শিক্ষকদের একাংশ জানিয়েছেন, গ্রেড পে হাজার টাকা বাড়লেও পে ব্যান্ডের কোনও পরিবর্তন হয়নি।

ফলে কারোর হাআজার টাকা, আবার কারোর ২ হাজার টাকা মাইনে বেড়েছে। সেইসঙ্গে মিলছে না অতিরিক্ত ভাতা।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ২১ এর নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে উচ্চ শিক্ষকদের বেতন বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী।

তখনই রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলন আবারও অস্বস্তিতে ফেলেছে রাজ্য সরকারকে। ক্ষত পূরণ করতে কোন পদক্ষেপ নেয় রাজ্য সরকার? সেটাই এখন দেখার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here