প্রতীকী ছবি

দ্য পিপল ডেস্ক : আসবে আসবে করে হয়তো এবার আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা মাত্র। রাজ্যে ঢুকেই পড়েছে সে। ১৯৯৯ এর সুপার সাইক্লোনের স্মৃতি উসকে ২১ বছর পরে আবার এক ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় আম্ফান।


দিঘার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে সুন্দরবনেই আছড়ে পড়ছে চলেথে আম্ফান।


জল ফুলতে শুরু করেছে সুন্দরবনের নদীতে। ক্যানিং থেকে কাকদ্বীপ সর্বত্র জারি হয়েছে চূড়ান্ত সতর্কতা।


আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সুন্দরবন তথা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন এলাকাতে বিরাট ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করবে সুপার সাইক্লোন আমফান।


শুধু বিরাট অংকের ক্ষয়ক্ষতিই নয় প্রাণহানিও ঘটতে পারে বহু মানুষের।


২০০৯ সালের ২৫ মে হওয়া আয়লার থেকেও ভয়ঙ্কর হতে পারে আম্ফান, এমনটাই আশঙ্কা আবহবিদদের।


সুন্দরবনের ক্যানিং মহাকুমার কুমিরমারি, মোল্লাখালি, সাতজেলিয়া, ঝড়খালি, এবং কাকদ্বীপ মহাকুমার সাগর ,ঘোড়ামারা, ফ্রেজারগঞ্জ , বকখালি, সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সরানো হয়েছে বহু মানুষকে।


এদের বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে এবং বড় বড় স্কুল বাড়িতে রাখা হয়েছে। তবুও কাটছে না আতঙ্ক।


যে সমস্ত এলাকাগুলিতে দুর্গত মানুষদের রাখা হচ্ছে সেই বাড়িগুলো ইতিমধ্যেই স্যানিটাইজ করা হয়েছে।


আবহাওয়া দপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আম্ফানের ফলে সাগরের বহু দ্বীপ এবং তার সংলগ্ন এলাকা অন্যদিকে গোসাবা ব্লকের বিভিন্ন দ্বীপ একেবারে জলের তলায় চলে যাবে।
তছনছ হয়ে যাবে সুন্দরবনের জনজীবন।


ইতিমধ্যেই বহু এলাকায় রান্না করা খাবার সরবরাহ করতে শুরু করেছে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত।


পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এবং প্রাণহানি যাতে কম করা যায় তার জন্য সিভিল ডিফেন্স ও জাতীয় বিপর্যয় কমিশনের কর্মীরা এসে পৌঁছেছেন সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন দ্বীপগুলিতে।


মঙ্গলবার বিভিন্ন নদীতে যে পরিমাণ জল বেড়েছে তাতে বড়সড় দুর্যোগের আশঙ্কা করছে সুন্দরবনবাসীও।


কারণ বহু মাটির নদী বাঁধ এখনো পর্যন্ত সেইভাবে মেরামতি হয়নি এ বছর। লকডাউনের কারণে থমকে ছিল মেরামতির কাজ।