দ্য পিপল ডেস্কঃ রিপাবলিক টিভিতে টিআরপি কাটার অভিযোগ আগেই ছিল।

তা নিয়ে আলোড়ন শুরু হয়েছিল মুম্বইতে। সেখান থেকে তা ছড়িয়েছে সারা ভারতে।

এবার সেই সমালোচনা শুরু হল পশ্চিমবাংলায়।

রাজ্যের একটি নামী চ্যানেল পিছিয়ে থাকা অন্যান্য চ্যানেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে, টিআরপি নির্ধারক সংস্থা ব্রডকাস্ট অডিয়েন্সেস রিসার্চ কাউন্সিল অর্থাৎ বার্কের কাছে।

বার্ক অবশ্য কি মন্তব্য করবে তা এখনো জানা যায়নি।

তবে টিআরপি কারচুপি নিয়ে কিন্তু বলিউড তারকা সালমান খানও সরব হয়েছেন‌।

তিনি বলছেন বিগ বস বা অন্য যে কোনও শোয়ে খেলাটা সঠিকভাবে খেলতে হবে।

টিআরপির জন্য যা খুশি করা যায় না। মিথ্যা বলা যায় না, চিৎকারও করা যায় না।

অপরদিকে কলকাতায় অনেক পিছিয়ে থাকা চ্যানেল কিভাবে দীর্ঘদিন দ্বিতীয় স্থান, তৃতীয় স্থান দখল করেছিল তার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বহু বছর।

আর তার কারণে ভুগতে হয়েছে অন্যান্য কিছু সঠিক ভাবে চলা টিভি চ্যানেলকেও।

টিভি চ্যানেলে টিআরপি বাড়িয়ে একদিকে যেমন অ্যাডের সংখ্যা বাড়ানো যায়।

তেমনি অ্যাডের রেড অর্থাৎ সেকেন্ড পিছু অ্যাডের জন্য অর্থাৎ বিজ্ঞাপনের জন্য অর্থও অনেক বেশি পাওয়া যায়।

রিপাবলিক টিভির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বেশ কয়েকটি বাড়িতে নাকি টাকা দিয়ে তাদের চ্যানেলগুলি চালিয়ে রাখতে বাধ্য করত।

কিন্তু সূচক মাপার যন্ত্র যেখানে বসানো থাকে সেখানে অর্থের বিনিময়ে কিভাবে এটা হতো।

সে প্রশ্ন তদন্তের আওতায় চলে আসছে।

সাম্প্রতিক দেখা গেছে ৪১ শতাংশ একটি বাংলা চ্যানেলের মার্কেট শেয়ার। অথচ দর্শকরা বেশিক্ষণ দেখছেন না সেই চ্যানেল।

সেই যুক্তিতেই অভিযোগ জানিয়েছেন ওই বৃহৎ টিভি চ্যানেলটি।

চ্যানেলের জনপ্রিয়তা নির্ধারণের আরেকটি সূচকও আছে।

যাকে বলা হয় টাইম স্পেন্ড পারভিউ আর ( tsvp)।

বিজ্ঞাপনদাতারা কোনও চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগে এই দুটি বিষয় দেখেন।

কিন্তু মার্কেট শেয়ার কিভাবে একটা পিছিয়ে থাকা চ্যানেল বাড়িয়ে নিতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অনেক সময়ে নাকি দিনভর যেখানে বাড়িতে মানুষ থাকেন না তাদেরকেও নির্দিষ্ট চ্যানেল চালিয়ে রাখতে উৎকোচ অথবা তাদেরকে পয়সা দেওয়া হয়।

অথচ তারা ফ্লাট বন্ধ করে চলে যান। চলতে থাকে টিভি।

এভাবেই নাকি ক্রমশ টিআরপি কারচুপি বাংলাতেও দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।

সেই অভিযোগে জানিয়েছেন ওই বড় বাংলা টিভি চ্যানেলটি।