দ্য পিপল ডেস্ক: পরিবর্তন হলেও পাল্টায়নি চাঁদা আদায়ের জুলুম।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

চলো পাল্টাই- স্লোগান দিয়ে ত্রিপুরায় দু দশকের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি ও আইপিএফটি জোট সরকার। অভিযোগ, সুশাসন দেওয়ার নাম করে সরকারে এলেও আরএসএসের শ্রমিক সংগঠন বিএমএস কর্মীরা চাঁদা আদায়ের নামে বিরাট জলুমবাজি চালাচ্ছেন।

 গত দু দশকের বেশি সময়ে যেভাবে বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন সিটু চাঁদা আদায় করত ঠিক সেই কায়দা চলছে এখন। এমনই সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর বিতর্ক চরমে। 

আগরতলা থেকে সাব্রুম, বিলোনিয়া, সোনামুড়া যাওয়া আসা করা গাড়ি যতবারই ঢুকছে বের হচ্ছে ততবারই দিতে হচ্ছে চাঁদা। অভিযোগ, বাম আমলে চাঁদাবাজি থাকলেও সেটা এত বড় আকার নেয়নি। এছাড়াও কিছু চালককে মারধর করা হয়েছে। 

বিএমএস অনুমোদিত ‘দক্ষিণ ত্রিপুরা বাস জীপ চালক সংঘ’ সংগঠনটির কর্মীরা আগরতলা থেতে রাজ্যের অন্যত্র যাওয়ার জন্য গাড়ি প্রতি চাঁদা নিচ্ছে ঘণ্টা ধরে। এই কাজে জড়িত ভারতীয় মজদুর সংঘের কিছু নেতা ও কর্মী। জোর করে চালকদের কাছ থেকে চাঁদা চেয়ে দেওয়া হচ্ছে স্লিপ। ক্ষুব্ধ চালকরা।

চালকরা জানাচ্ছেন, এই চাঁদা আদায়ের একাংশের ভাগ পাচ্ছেন বিজেপি ও সংঘের কিছু নেতা। তাদেরই নির্দেশে চলছে রসিদ কাটার কাজ। তাতে ১০ টাকা লেখা থাকলেও বাড়তি হিসেবে দিতে হচ্ছে ২০-৩০ টাকা।

এরকম চলতে থাকলে চালকরা গাড়ি বের করতে পারবেন না, তার ফলে রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। ত্রিপুরার সঙ্গে উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্য বিশেষ করে অসমের যোগাযোগ হয় মূলত সড়কপথে।চালকদের দাবি, রাজ্যের ভিতরে তো বটেই, আন্তঃরাজ্য গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রেও চাঁদাবাজির জুলুম চলছেই।