দ্য পিপল ডেস্কঃ উত্তরের হিমেল হাওয়ার আগমনের সঙ্গে সঙ্গে পিকনিকের আমেজ।

শীতকাল আর ডিসেম্বর, জানুয়ারি মানেই পিকনিকের সময়।

দল বেঁধে বনভোজনের সে আনন্দ দেখতে পাওয়া যায় মাইথন পর্যটনকেন্দ্রে।

দূরদূরান্ত থেকে পর্যটকরা এখানে বেড়াতে আসেন।

চারদিকে সবুজ ও ছোট ছোট জলার ধারে চলে পিকনিক, হৈ, হুল্লোড়।

তাই পিকনিকের মরসুম আসতেই নৌচালকরা নৌকাগুলিকে সুদৃশ্য করে সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু করে দেন।

এই সময়টায় আসলে নৌকা চালকদের আয় হয় প্রচুর।

কিন্তু করোনা আবহে এই বছরটাও তেমন যাবে তো?

এ’বছরও কি মাইথন পর্যটন কেন্দ্র হয়ে থাকবে লোকে লোকারণ্য, ডিসেম্বর পড়তেই এই প্রশ্নগুলিই ঘুরপাক খাচ্ছে নৌ চালকদের মনে।

আসলে এই বছরটা অন্যান্য বছরের থেকে অনেকটাই আলাদা।

প্রথমে করোনা, তারপর লকডাউন, এরপর আবার আনলক সব মিলিয়ে এবার আদৌ পিকনিকের আনন্দে মাতবেন কিনা মানুষ তা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন থেকেই যাচ্ছে।

তবুও আশায় বুক বাঁধছেন মানুষ। হয়তো এবছরও পর্যটকে ভরে যাবে মাইথন পর্যটন কেন্দ্র, হয়তো আবারও দুটো বেশি অর্থের মুখ দেখবেন নৌচালকেরা।