দ্য পিপল ডেস্কঃ আকাশে মেঘ এবং বর্ষার মরশুমে ধানের বীজ পুঁতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন চাষিরা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর অনেক আগেই চাষাবাদ শেষ হয়েছে।

নামখানা ব্লকের শুধু শিবরামপুর গ্রাম নয়, নামখানা ব্লকের সম্পূর্ণ এলাকাতেই চাষের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

প্রথম সূর্যের তাপে জমিজমা শুকিয়ে গেলেও বর্ষার মরশুমে মৌসুমী বায়ুর আবির্ভাবে বৃষ্টি হয়ে এবং আকাশের মেঘের ভেলা দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন চাষীরা।

এই প্রসঙ্গে শিবরামপুর গ্রামের এক চাষী নির্মল ভূঁইয়া বলেন, এবছর জমিতে ধান রোপণ করা খুব তাড়াতাড়ি হয়েছে। চারিদিকে লকডাউন আর করোনা ভাইরাসের কারণে বাড়ির ছেলেরা বাড়িতেই ফিরে এসেছে।

অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ধান রোপন করার জন্য লোকজন খুঁজতে হয় নি। এবছর শুধু পুরুষ নয় এলাকার মহিলারাও সমানভাবে কাজ করেছেন। নিখরচায় হাজরা দিতে হয়েছে ৪০০ টাকা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, আটমাইলের একজন চাষী বলেন, আমার বিঘা ছয় চাষ জায়গা রয়েছে। গতবছর বীজ ধান রোপন করার জন্যই আমায় খুব বেগ পেতে হয়েছিল।

কিন্তু এ বছর তা সম্পূর্ণ উল্টো। মাত্র ৩ দিনে নিখরচায় আমি চাষ শেষ করেছি।

কিন্তু একটা বিষয় চাষীদের মনে সন্দেহ রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার যেভাবে সমানতালে চাল দিচ্ছে সে ক্ষেত্রে ধান উঠে যাওয়ার পর তার ন্যূনতম ধানের মূল্য পাবে কিনা।

যেভাবে লাঙল এবং হাজরা দিয়ে বীজ ধান রোপন করেছেন তার তুল্যমূল্য হিসাব দেখতে গেলে ধানের বাজার চাষিরা তেমন পায়না সেই নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন শ্রীরামপুর গ্রামের এক চাষী।