প্রতীকী ছবি

দ্য পিপল ডেস্ক : করোনা আবহে টাকা-পয়সার মতো জরুরি হয়েছে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার। রাস্তায় হোক বা অফিসে এমনকি বাড়িতেই সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়েছে স্যানিটাইজার।


ব্যবহারের সুবিধার জন্যই হ্যান্ড স্যানিটাইজার জনপ্রিয় ও প্রয়োজনীয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য স্যানিটাইজার ব্যাবহার ভাল ঠিকই কিন্তু অতিরিক্ত ব্যাবহারে ফল উল্টো হতে পারে।


ওই যে কথায় বলে, অতিরিক্ত কোনও জিনিস ভাল নয়। ডাক্তারদের মতে, এতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

১. বাজারে আজকাল বিভিন্ন কোম্পানীর হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে। দামের হেরফেরের সঙ্গে গুণগত মানেও তফাৎ আছে।


বেশ কিছু স্যানিটাইজার আছে যেগুলি ব্যবহার করলে হাত শুষ্ক হয়ে যায়। কিছু স্যানিটাইজার ব্যাবহারে হাতে বা ত্বকে চুলকানি বা জ্বালা হয়। এই ঘরনের স্যানিটাইজার একটানা ব্যবহার করলে একজিমা পর্যন্ত হয়ে যেতে পার

২.হ্যান্ড স্যানিটাইজার অ্যালকোহল থাকে, যা ট্রাইক্লোসান বা ট্রাইক্লোকার্বান নামে একটি অ্যান্টিবায়োটিক যৌগ নিয়ে গঠিত। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ট্রাইক্লোসান এর অত্যাধিক ব্যবহারের ফলে ভ্রূণের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।
কখনও কখনও অ্যাজমার সমস্যাও তৈরি করে।

৩. হ্যান্ড স্যানিটাইজারে থাকা ট্রাইক্লোসান মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমিয়ে দিতে পারে। ফলে অ্যালার্জির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪. বেশিরভাগ হ্যান্ড স্যানিটাইজার সুগন্ধযুক্ত। এতে থাকে ফ্যাটিলেটস এবং প্যারাবেন্সের মতো বিষাক্ত রাসায়নিক। যা প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে দিতে সক্ষম।


এমনকী শারীরিক বৃদ্ধিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

৫. হ্যান্ড স্যানিটাইজারে অ্যালকোহল থাকে, এটা কম-বেশি সবাই জেনে গেছেন। ফলে অজ্ঞানতাবশত নেশার দ্রব্য ভেবে খেয়ে নিয়ে প্রাণহানির মতো সর্বনাশ ঘটতে পারে। যা ইতিমধ্যে ঘটেছে।


তামিলনাড়ুতে হ্যান্ট স্যানিটাইজার খেয়ে বেশ কয়েক জনের মৃত্যুও হয়েছে।