দ্য পিপল ডেস্ক : বড়সড় অঘটন না ঘটলে, চলতি বছর যথাসময়ই হবে ইউএস ওপেন।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ডস্লাম করোনা ভাইরাসের আবহে প্রায় বাতিল হতেই বসেছিল। তবে মার্কিন টেনিস সংস্থার তরফে যা আভাস পাওয়ায় যাচ্ছে, তাতে অগাস্ট মাসে নির্ধারিত সময়ই বসতে চলেছে ইউএস ওপেনের আসর।

শীঘ্রই সরকারিভাবে তা ঘোষণা করা হবে। প্রতিবছরই ফ্লাশিং মেডোয় নাদাল-রজারদের লড়াই দেখতে হাজারে হাজারে মানুষ আসেন।


তবে এবার সেই চিরাচরিত চিত্র দেখতে পাওয়া যাবে না। ইউএস ওপেন হলেও, তা অনুষ্ঠিত হবে ক্লোজ ডোরে বিনা দর্শকে।


ফলে সমর্থকদের অভিবাদন নেওয়ার সুযোগটা কোর্টে বসে উপভোগ করতে পারবেন না নাদালরা। এমনিতেও হাঁটুর চোটের জন্য এই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন সুইস টেনিস তারকা রজার ফেডেরার। জকোভিচ-সেরেনাও আদৌ এই টুর্নামেন্টে খেলবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।


করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ গোটা বিশ্বে সম্পূর্ণভাবে না কমা পর্যন্ত কোর্টে নামতে পক্ষপাতি নন তাঁরা। এবার দর্শকদের অনুপস্থিতিতে এই টুর্নামেন্ট হতে চলায় জৌলুশ আরও হারাল।


এরপরই ফ্রেঞ্চ ওপেন থাকায়, অনেকেই ফ্রান্সের পরিস্থিতি দেখে নিয়ে ইউএস ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিতে পারেন।


আমেরিকার নিউইয়র্কে প্রতিদিনই ১০০-র ওপর মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন, করোনা ভাইরাসে। এরই মধ্যে টুর্নামেন্ট শুরুর কথা শুনে তাই অনেকেই সমালোচনা করছেন।


যেখানে অলিম্পিক্সের পাশাপাশি ইউরো কাপ, কোপা আমেরিকার মতো ফুটবলের মেগা ইভেন্ট পিছিয়ে যেতে পারে, সেখানে ইউএস ওপেনের আদৌ কোনও প্রয়োজন ছিল কিনা সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

অগাস্টের ৩১ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বরের ১৩ তারিখের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব মেনে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।


যদিও এরই মধ্যে দর্শকদের মধ্যে কেউ কেউ আশা আলো দেখছেন। প্রথমত একটিও গ্রান্ডস্লাম চলতি বছরে দেখতে পাবেন না বলে ভেবেছিলেন তারা।


যদিও সেই শঙ্কা দূরে সরিয়ে গ্র্যান্ডস্লাম ফের টিভিতে দেখার সুযোগ পেতে চলেছেন তাঁরা।


এছাড়াও তারকারা না খেললে, নতুন গ্র্যান্ডস্লাম চ্যাম্পিয়নকে পাবে টেনিস বিশ্বের দর্শকরা।


টেনিস তারকা নিক কিরগিওস তবে বলেই দিয়েছেন, মার্কিন টেনিস সংস্থা স্বার্থপরের মতো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


অস্ট্রেলিয়া থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার সময় নিজের হাজমাত স্যুটটি তিনি পড়ে নেবেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে নিজেই কোয়ারেন্টিনে থাকবেন বলেও জানাচ্ছেন নিক।