দ্য পিপল ডেস্ক : নামখানা ব্লকের বাস রাস্তা অবরোধ করল সিপিআইএম-এর কর্মী সমর্থকরা। নামখানা ব্লকের বেশকিছু রাস্তাঘাট বেহাল অবস্থায় রয়েছে।

যার মধ্যে নামখানা ব্লকের দ্বারিকনগর হসপিটালের রাস্তা যান চলাচলের অসুবিধার জন্য দূর্ভোগে পড়েছে নিত্যযাত্রীরা।

প্রতিদিন লেগে থাকে অসুবিধার বাতাবরণ। ভঙ্গুর রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে প্রায় সময় ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।

ওই সড়কে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মেইন রোড থেকে দ্বারিকনগর হসপিটাল পর্যন্ত ছোট বড় করে শতাধিক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

হসপিটাল থাকার ফলে সারাদিন ও সারারাত মানুষের নানা অসুবিধা নিয়ে যান চলাচল করে। পাঁচ মিনিটের রাস্তা যেতে হচ্ছে পনের মিনিট ধরে।

ফলে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে যেতে যাত্রীদের ভোগান্তির চরম আকার ধারণ করছে।

দেখে মনে হয় এজন্য সড়ক নয় কর্দমাক্ত জলাশয়। কাদা পেরিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এমনকি স্থানীয় হসপিটালের রোগী।

যার স্বরূপ সিপিআইএম-এর কর্মী-সমর্থকরা পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতি, বিডিও, এসডিও এমনকি বিধায়ক সর্বস্তরে জানিয়ে ও কোনও সুরাহা মেলেনি।

তাই নামখানা-বকখালি বাস রাস্তার দ্বারিকনগর বাসস্টপেজে এই অবরোধ করে।

এই রাস্তা ছাড়া দেবনগর স্কুলে যাওয়ার রাস্তা বেহাল অবস্থা। এই রাস্তা নিয়ে কারোর কোনও হেলদোল নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা শিবু দে বলেন, আজ লকডাউনের ফলে এই রাস্তা দিয়ে ছাত্রছাত্রীরা যাচ্ছে না। কিন্তু নিত্যদিন সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অসুবিধা ক্রমেই বাড়ছে।

এক নরক যন্ত্রণার শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের।

এছাড়া রয়েছে, রাধানগর থেকে দুর্গাপুর যাওয়ার রাস্তা। সেই রাস্তা একেবারেই বেহাল অবস্থা। নিত্যদিন শয়ে শয়ে মানুষের কর্মব্যস্ততার ফলে জীবন বাজি রেখে রাস্তায় চলতে হচ্ছে।

এইসব রাস্তা সারাবে কে? কে বা কার কথা শুনবে? উপর থেকে নিচু তলার কর্মীরা আজ যেন নিরুপায় অবস্থায় রয়েছে।

এই কর্মব্যস্ততার দিনে রাস্তার কথা তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারন মানুষদের।

নিত্যদিন ঘটে চলেছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। এমত অবস্থায় এই কঠিন সিদ্ধান্ত বেছে নিলেন নামখানা ব্লকের সিপিআইএমের কর্মী-সমর্থকরা।

এই প্রসঙ্গে নামখানা ব্লকের এরিয়া কমিটির সেক্রেটারি অকিঞ্চিৎ দাস বলেন, এইসব রাস্তা সম্পূর্ণ বেহাল অবস্থা। বর্তমানে সাধারণ মানুষও পায়ে হেঁটেও যেতে পারছে না।

আমরা আজ ১৫ মিনিট বাস রাস্তা অবরোধ করেছি। ১৫ দিন সময় দিয়েছি। যদি রাস্তা সারানোর কোনও উদ্যোগ না নেয় তাহলে আমরা বড় ধরনের আন্দোলনে নামবো।

এই অবরোধে ২০০ জনের ওপর সিপিআইএমের কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।