দ্য পিপল ডেস্কঃ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে ভাষণে বক্তব‍্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি সমাবর্তনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবর্তনে অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা থাকলেও প্রথমবার বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে অনুষ্ঠান হচ্ছে পড়ুয়াদের উপস্থিতি ছাড়াই। ছিলেন না পড়ুয়ারা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে অনুষ্ঠান নিয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছে। আমি আসতে চাইছিলাম, কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মের কারণে সম্ভব হয়নি বললেন মোদী।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিবাজি উৎসব নামে একটি কবিতা লিখেছিলেন। এই কবিতায় দেশের অখণ্ডতা মজবুত করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই বার্তা ভোলা যাবে না, সবসময় মনে রাখতে হবে। এটাই তো রবীন্দ্রনাথের বার্তা। দেশে বৈচিত্র থাকবে। বিচারধারা থাকবে। ২০৪৭ সালে ভারত যখন স্বাধীনতার শততম বর্ষের উদযাপন করা হবে, তখন বিশ্বভারতীর ২৫ টি লক্ষ্য কী হবে, তা নিয়ে একটি ‘ভিশন ডকুমেন্ট’ তৈরি করা হোক।

সন্ত্রাসবাদ যারা ছড়াচ্ছে, তাদের অনেকেই উচ্চশিক্ষিত এবং প্রশিক্ষিত। অন্যদিকে আবার এমন মানুষ আছেন, যাঁরা করোনাভাইরাস মহামারী থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গবেষণাকেন্দ্র এবং হাসপাতালে থাকছেন। ক্ষমতায় থেকে সংবেদনশালী থাকতে হবে।
বিশ্বভারতী হল বিশ্ব শিক্ষার প্রাণ ক্ষেত্র।

ভারতবাসীকে গুরুদেবের উপহার এই বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র বিশ্বভারতী।বিশ্বভারতী জ্ঞানের উন্মুক্ত ভান্ডার। প্রকৃতির কোলে পড়াশোনার ভাবনা গুরুদেবের। প্রকৃত মানুষ গড়ার কারিগর বিশ্বভারতী। প্রকৃত শিক্ষা থাকলে তবেই সমস্যার সমাধান প্রয়োজন। মানুষের জীবনে ক্ষোভ-দুঃখ হতাশা আছেই, কিন্তু এর ঊর্ধ্বেও জীবন আছে। সমস্যা না বাড়িয়ে তার সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। দেশে মেয়েদের স্কুল ছুটের হার বেশি। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। দেশকে এক সূত্রে বেঁধে রাখতে হবে। নতুন শিক্ষানীতি দিশা দেখাবে। নতুন শিক্ষানীতিতে নারীশিক্ষায় জোড়।