দ্য পিপল ডেস্কঃ  ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।

এমনই এক ইচ্ছার কথা জানালেন মৃৎশিল্পী গৌতম সাহা। নদীয়া শান্তিপুর গোপালপুর থেকে হাওড়া সালকিয়া টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো এবং বেহালা তিনটি আলাদা বাড়ির অর্ডারের মা দুর্গা প্রতিমা পৌঁছানোর।

করোনাতে মানুষ জর্জরিত রয়েছে। তাই হাপ ছেড়ে বাঁচার ইচ্ছা প্রবণ।

তারপর মাথার ওপর বাঙালির বড় উৎসব দুর্গাপুজো।

এই উৎসবকে একদম ভুলে গেলে চলবে না। যতই কষ্ট, যন্ত্রণা, দুর্দশা থাকুক না কেন।

করোনার ফলে আর্থিক অবস্থার মাপকাঠি কিছুটা কমলেও দুর্গাপূজা করতেই হবে। এমনই উদ্যোগ দেখা গেল বেশকিছু উদ্যোগতার মধ্যে।

নদীয়া শান্তিপুর গোপালপুর থেকে হাওড়া সালকিয়া টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো এবং বেহালার তিনটি আলাদা বাড়ির অর্ডারের মা দুর্গা প্রতিমা পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে রওনা দিল আজ।

শিল্পী গৌতম সাহা জানান, বংশপরম্পরায় তিনি মৃৎশিল্পী নন, পেশায় তাঁত শিল্পী।

লকডাউনের মহাজনদের কাজের খামতি থেকে সংসারের খরচ যোগাতে বিকল্প পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন এই মৃৎশিল্প। তবে ছোটবেলা থেকেই এই কাজ করতে ভালো লাগতো তার।

মূল পেশা তাঁত বোনার থাকেই বানাতেন বিভিন্ন মূর্তি প্রতিমা সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার কারণেই যোগাযোগ হয়েছে অনেকের সাথে তাদের মধ্যে কেউ কেউ দিয়েছেন প্রতিমা তৈরীর অর্ডার।

তাও বলে একতলা নয়, দুতলা, তিন তলা, এমনকি চার তলাতে প্রতিমা পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বভার কাঁধে তুলে নিলেন মৃৎশিল্পী গৌতম বাবু।

তবে হ্যাঁ, সম্পূর্ণ আবেগ হীন ভাবে ব্যাবসায়িক মনোভাবে।

প্রতিমা ক্রেতাদের একটাই দাবি প্লেটের উপরে তুলে দিতে হবে প্রতিমা। ক্রেতাকে সন্তুষ্ট রাখতে যথেষ্ট কষ্টসাধ্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সে দায়িত্বও কাঁধে তুলে নিয়েছেন শিল্পী।

তার জন্য শান্তিপুর থেকে চারজন শ্রমিক , মোটা দড়ি যথেষ্ট পরিমাণে বাঁস এবং কপিকল ফ্ল্যাটের বাইরের দিক থেকেই সোজা ফ্যাটের কামরায় ঢুকবেন মা দুর্গা।