দ্য পিপল ডেস্ক: আচমকাই রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হল ইসরোর এক বিজ্ঞানীর। হায়দরাবাদে ন্যাশানাল রিমোট সেন্সিং ইউনিটে ওই ব্যক্তি কাজ করতেন। কর্মসূত্রে গত ২০ বছর ধরে তিনি হায়দ্রাবাদে থাকতেন। বছর ৫৬-র ওই মৃত ব্যক্তির নাম এস সুরেশ। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার মাঝরাতে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে সুরেশকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে জানান তাঁর সহকর্মী। বারবার ফোন করে তাঁকে ফোনে না পেয়ে সুরেশের স্ত্রীকে ফোন করেন ওই সহকর্মী। এরপরে তাঁর স্ত্রী পুলিশে ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর ফ্ল্যাটে আসে। পুলিশ এসে দেখে তাঁর হাত-পা বাধা ও রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার শহরের আমিরপেট এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ওই বিজ্ঞানীর দেহ উদ্ধার করে পুলিস।

কেরলের বাসিন্দা সুরেশ কর্মরত ছিলেন ন্যাশানাল রিমোট সেন্সিং ইউনিটে। গত ২০ বছর ধরে ছিলেন হায়দরাবাদে। তাঁর স্ত্রীও ব্যাঙ্কে চাকরি করেন। কর্মসূত্রে বদলি হয়ে গিয়েছেন চেন্নাইয়ে। এক ছেলে থাকেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং এক মেয়ে থাকেন দিল্লিতে।

পুলিসের দাবি, সুরেশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, কোনও ভারী অস্ত্র দিয়ে তাঁকে জোরে মাথায় আঘাত করা হয়েছে। রহস্যজনক ভাবেই মৃত্যু হয়েছে সুরেশের। আমিরপেটের অন্নপূর্ণা রেসিডেন্সিতে সুরেশের ফ্ল্যাট থেকেই উদ্ধার হয়েছে বিজ্ঞানীর মৃতদেহ। তবে কেউ জোর করে তাঁর ফ্ল্যাটে ঢুকেছিল, নাকি আততায়ী তাঁর পূর্ব পরিচিত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

হায়দ্রাবাদের পুলিশ আধিকারিকরা পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে। সুরেশের ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ফুটেজ ভালো করে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য মেলেনি বলেই জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here