দ্য পিপল ডেস্ক : চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের গোপন আঁতাত বহু চর্চিত। চিন ভারত-পাক সীমান্তে সমস্যা জিইয়ে রাখতে চায় এ সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে বিস্তর।

তবে তা যে একেবারে অমূলক নয় তার প্রমাণ মিলল। ভারত-পাক সীমান্তে নিরাপত্তারক্ষীর গুলিতে নিহত জঙ্গির কাছে পাওয়া গেল চায়না গ্রেনেড।

ভারতীয় সেনার উপর আক্রমণ করার জন্য প্রত্যেকদিনই নতুন নতুন ছক কষঠে সন্ত্রাসবাদীরা।

উপত্যকায় নাশকতা ছড়ানো জঙ্গি সংগঠনগুলির নেতাদের নিকেশ করতে কোমর বেঁধে নেমেছে সেনা বাহিনীও।

শুক্রবার মধ্য কাশ্মীরের নারবাল এলাকায় জেএমবি-র সদস্য এক জঙ্গিকে খতম করেছে সেনা ও পুলিসের যৌথ বাহিনী।

ওই জঙ্গির কাছ থেকে একটি ম্যাগাজিন, একটি চাইনিজ গ্রেনেড, একটি ছুরি, দুটি মোবাইল ফোন, একটি ফেরান (কাশ্মীরী গাউন) উদ্ধার হয়েছে।

দিন তিনেক আগে কাওসা বুদগাঁও এলাকায় এনকাউন্টার চলাকালীন ভারতীয় সেনার হাত থেকে পালিয়ে বেঁচেছিল ওই জঙ্গি।

সামরিক চুক্তি অনুযায়ী যে কোনও দুই দেশের মধ্যে অস্ত্র আদানপ্রদান চলে। তবে জঙ্গিদের হাতে কীভাবে আসতে পারে ? এটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন।

জঙ্গির থেকে পাওয়া ওই চাইজিন গ্রেনেড দেখে এটা একপ্রকার স্পষ্ট যে, ভারতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালানোর জন্য চিন জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহ করছে।

উল্লেখ্য্, শুক্রবার জম্মু ও কাশ্মীরের নওসেরা সেক্টরের নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া ফরওয়ার্ড পোস্টে টহল দেওয়ার সময় ভয়াবহ মাইন বিস্ফোরণের শিকার হন ভারতীয় সেনার দুই জওয়ান।

তাঁদের মধ্যে একজন মেজর পদমর্যাদার আধিকারিক বলে জানা যাচ্ছে। উধমপুরের সেনা হাসপাতালে ১৬ গ্রেনেডিয়ার্সের মেজর বরুণ খাজোরিয়া এবং সুবেদার ঈশ্বর সিংয়ের চিকিত্সা চলছে।

রাজৌরি জেলার নওশেরা সেক্টরে LOC-র ফরোয়ার্ড লোকেশনে টহল দিচ্ছিলেন তাঁরা। তখনই ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ ঘটে।

এর পর রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া দুই জওয়ানকে অ্যাম্বুল্যান্সে সেনা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভারত-পাক সীমান্তে সমস্যা লেগেই আছে। প্রায় প্রত্যেকদিনই গোলাগুলি চলছেই। আঁটোসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা।