দ্য পিপল ডেস্ক : ৩৪ বছর পর জাতীয় শিক্ষানীতিতে বদল। স্কুল ও কলেজ শিক্ষার ক্ষেত্রে একাধিক বদল আনা হল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে।


বুধবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে এবার থেকে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে শুরু হবে সেমিস্টার। মোট ৮ টি সেমিস্টারে পরীক্ষা হবে।


সেক্ষেত্রে নবম শ্রেণি থেকেই থাকছে বিষয় বাছাইয়ের সুযোগ। পদার্থবিদ্যার সঙ্গে সঙ্গীত, বেকারি বা ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে পড়ার সুযোগ।

পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষাতেই পড়াশোনার উপর জোর দিয়েছে কেন্দ্র। আঞ্চলিক ভাষাকে গুরুত্ব দিতে এই ভাবনা না বলে মনে করা হচ্ছে।

৫+৩+৩+৪ এই ভিত্তিতে স্কুল শিক্ষা হবে মোট ১৫ বছরের।


দশম শ্রেণির পরীক্ষা তুলে দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে। ফলে নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ল মাধ্যমিক পরীক্ষা।


পাশাপাশি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে থাকবে না কোনও বিভাগ। ফলে, একজন ছাত্র বিজ্ঞান বা অঙ্ক বিষয় পছন্দের পাশাপাশি মিউজিকও বেছে নিতে পারবেন।


এমনকি স্নাতক স্তরেও একজন ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র ইচ্ছে হলেই কলা বিভাগের যে কোনও বিষয় নিয়ে পড়তে পারবে। সেক্ষেত্রেও থাকছে না কোনও বাধা।

২০২৫ এর মধ্যে প্রত্যেকের প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হল। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষা বা আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হল।

সিলেবাস কমিয়ে ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে।


পড়ার চাপ কমাতে প্রজেক্ট, অ্যাক্টিভিটি ভিত্তিক পড়াশোনাতে গুরুত্ব বাড়ছে।


স্নাতকে অনার্স কোর্স ৩ বছরের বদলে ৪ বছর করা হল। স্নাতকোত্তরেও বদল আসতে পারে। ২ বছরের বদলে স্নাতকোত্তর হতে পারে এক বছরের।


পাশাপাশি নতুন শিক্ষানীতিতে উঠে যাচ্ছে এম ফিল।


যেহেতু শিক্ষা ব্যবস্থা রাজ্য ও কেন্দ্রের যৌথ তালিকায় রয়েছে। তাই নতুন এই শিক্ষানীতি রাজ্য সরকারেরও মানতে হবে, এটাই মনে করা করছে কেন্দ্র।


কিন্তু রাজ্য সরকার এই নীতি কতটা মানবেন এখন তাই দেখার।


তবে, নতুন এই জাতীয় শিক্ষানীতিতে এক মত হতে পারেননি অনেক শিক্ষাবিদ। তাঁদের মতে, শিক্ষাব্যবস্থা আরও কঠিন করা উচিত ছিল।