দ্য পিপল ডেস্কঃ শরীরি খেলার অন্যতম আবশ্যিক অঙ্গ হল ব্রেস্ট সাকিং।

আপাতভাবে মনে হতে পারে ব্রেস্ট সাকিং নিছকই যৌন উত্তেজনা বাড়ানোর একটা কৌশল মাত্র। আদতে তা নয়। নিয়মিত ব্রেস্ট সাকিংয়ে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমে যায় অনেকখানি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায়ই মিলেছে এই তথ্য।

জানা গিয়েছে, যাঁদের কম বয়সে বিয়ে হয়েছে এবং নিয়মিত ব্রেস্ট সাকিং করান, সেই সব মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা একেবারে নেই বললেই চলে। আবার স্তনের গঠন নষ্ট হয়ে যাবে ভেবে যেসব মহিলা তাঁদের পুরুষ সঙ্গীকে স্তনে হাত পর্যন্ত দিতে দেন না, কিংবা বিয়ে করেছেন বেশি বয়সে তাঁদের স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা খুব বেশি।

স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা কীভাবে কমিয়ে ফেলা যায়, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন ব্রিটিশ গবেষক জেমস ক্লস্কি। তাঁর দাবি, নিয়মিত ব্রেস্ট সাক করলে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমে যায় অনেক।

তবে সেক্ষেত্রে শুধু স্তনবৃন্ত চোষণ করলেই হবে না, জিভ বোলাতে হবে গোটা স্তনেই। স্তনের নীচ থেকে জিভ নিয়ে যেতে হবে বৃন্তের দিকে। সেক্ষেত্রে রক্ত সঞ্চালন হবে দ্রুত। যার জেরে কমবে ক্যান্সারের ঝুঁকি।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষকও দেখেছেন, ব্রেস্ট সাকিংয়ে কমে ক্যান্সারের ঝুঁকি। এই গবেষকদের দাবি, এর পাশাপাশি কম করে অন্তত দু বছর যদি কোনও মহিলা তাঁর সন্তানকে ব্রেস্ট ফিডিং করান, তাহলেও স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেকখানি কমে যায়।

ব্রেস্ট সাকিংয়ের পাশাপাশি স্তন নিয়ে খেলা করলেও কমে মারণ ব্যাধির সম্ভাবনা। গবেষকদের মতে, স্তন মর্দনে আদতে ম্যাসেজ হয় স্তনের। তাই সম্ভাবনা কমে ক্যান্সারের।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এও দেখেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ মহিলারা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন কম। কারণ, যৌন মিলনের সময় ব্রেস্ট সাকিং করাতে বেশি পছন্দ করেন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলারা। তাঁদের মধ্যে ব্রেস্ট ক্যান্সারের সম্ভাবনা কম।

আর যেহেতু শেতাঙ্গরা ভাবেন, যে নিয়মিত স্তন চোষণে সুডৌল স্তনের গঠন নষ্ট হয়ে যায়, তাই তাঁরা ব্রেস্টে প্রায় হাতই দিতে দেন না তাঁদের যৌন সঙ্গীদের। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

সুতরাং, কেবল যৌন মিলন মধুর করতেই ব্রেস্ট সাকিং নয়, ব্রেস্ট সাকিং হোক যৌন সঙ্গিনীটির মনোরম স্তন আজীবন নীরোগ রাখতে।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here