ইংল্যান্ডের পিচে আগুন ঝরাবে কোন বোলার ?

0
94

দ্য পিপল ডেস্কঃ হাতে গোনা ১০দিন । তারপরই ২০১৯ বিশ্বকাপের মহারণ । এবারের বিশ্বকাপে অন্যান্য পুরানো সমস্ত বিশ্বকাপের রেকর্ড ভাঙবে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা ।

সম্প্রতি ইংল্যান্ড-পাকিস্তানের সিরিজকে নজরে রেখে এমনই অনুমান করছে সবাই। চলতি সিরিজে তিনটে ম্যাচেই ৩০০রও অধিক রান তুলেছে পাকিস্তান। আবার সেই রানকে প্রতিবারই সহজেই তাড়া করেছে ইংল্যান্ড। এরপর থেকেই সমস্ত দলের বোলিং কোচের মাথায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

এই সিরিজের ওপর নজর রেখে বিশ্বকাপে ৪০০ রানও ছুঁতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ফ্ল্যাট পিচ হওয়ায় বেশি রান উঠবে। সেই জন্যেই প্রতিটা দলের সেরা বোলারদের ওপরই ভরসা থাকবে বেশি।

বিশ্বকাপে যে সমস্ত সেরা বোলারের ওপর নজর থাকবে-

১. জশপ্রীত বুমারহঃ

Image Source: Getty Images

বর্তমান সময়ের হোয়াইট বলের সবচেয়ে সফল বোলার হলেন জশপ্রীত বুমারহ । ভারতীয় দলের ডেথ বোলারে প্রধান স্তম্ভ তিনি । তাঁর পেস, ইয়র্কার এবং অদ্ভুত ডেলিভারি বারবারই বিপক্ষের দলের ব্যাটসম্যানকে বিপদে ফেলে।

 আইপিএলের চমকপ্রদ পারফরমেন্সের জেরে ২০১৬ সালে ভারতীয় জার্সিতে খেলার জন্য ডাক পায় বুমরাহ। এরপর একের পর এক দুরন্ত পারফরমেন্সের জেরে ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে নিজের স্থান দখল করে নিয়েছেন তিনি। তাঁর দখলে রয়েছে ১৮৫ টি উইকেট।

২. শাহিন আফ্রিদিঃ

পাকিস্তান থেকে বরাবরই ইমরান খান, শোয়েব আখতারের মতো বড় বড় বোলাররা উঠে এসেছে। এই বিশ্বকাপেও নজর থাকবে পাকিস্তানের ইয়ং বোলার শহিন আফ্রিদির ওপর। তাঁর অতিরিক্ত হাইট, পেস এবং সুইং বিপক্ষকে সমস্যার মুখে ফেলেছে । অনূর্দ্ধ ১৯ যুব বিশ্বকাপের দলে ভালো পারফরমেন্সের পরই ডাকা হয়েছিল পাকিস্তানের দলে।

৩. ওশন থমাসঃ

ক্যারিবিয়ান দলের সবচেয়ে ধংসাত্মক বোলার হল ওশন থমাস। গত বছরই ওয়ান ডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় থমাসের। সুইং, পেসের সঙ্গে বাউন্সের ক্ষমতা অনেকবারই বিপাকে ফেলে বিপক্ষ দলকে।

Image source: Getty Images

ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক ম্যাচেই রোহিত ও ধাওয়ান সবার নজরে এসেছে। এরপর একের পর এক সাফল্যই বিশ্বকাপের মঞ্চের দুয়ার খুলে দিয়েছে।

৪. কাগিসো রাবাডাঃ  

আইসিসির দ্বিতীয় নম্বর বোলার এবং বর্তমানে সাউথ আফ্রিকার সেরা বোলার হলেন কাগিসো রাবাডা। তাঁর ডেবিউতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে হ্যাট্রিক নিয়ে চর্চায় এসেছিলেন তিনি।

এছাড়া চলতি আইপিএলে অনেকটাই সাফল্য পেয়েছেন । এই মরশুমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট টেকার ছিলেন তিনি। ইংল্যান্ডের পিচে রাবাডার সাফল্য ওপর অনেকটা সাউথ আফ্রিকার ভবিষ্যৎ জড়িয়ে আছে।

৫। মিচেল স্টার্কঃ

১৫০ অধিক গতিবেগে ইন সুইং ইয়র্কার, বাউন্সে পরিচিত স্টার্ক। তাঁর এই ক্ষমতায় বহুবার হারা ম্যাচকে জয়ের মধ্যে ফিরিয়ে এনেছে। এর মধ্যে পড়ে ২০১৫ বিশ্বকাপে ভারত-অস্ট্রেলিয়া কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে।

স্টার্কের এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে অস্ট্রেলিয়া। তবে বেশ কয়েক বছর ধরে চোটের মধ্যে দিয়ে ভুগতে হয়েছে তাঁকে। ইংল্যান্ডের ফ্ল্যাট পিচে স্টার্কের অভিজ্ঞতার সুইং কতটা কাজে লাগবে সেটাই এখন দেখার।   

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here