এই বিশ্বকাপে অক্ষত থাকতে পারে কোন চারটি রেকর্ড ?

0
105

দ্য পিপল ডেস্কঃ  বিশ্বকাপ এই শব্দটাই হয়তো কোটি কোটি ক্রীড়াপ্রেমী মানুষদের মনে আলাদা অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। প্রতি চার বছরের অপেক্ষায় থাকে প্রতিটি দেশের খেলোয়াড় থেকে ক্রিকেট প্রেমীরা।

আর ক্রিকেট মানেই পুরনোকে টপকে নতুন ইতিহাস গড়া। সেটা যদি বিশ্বকাপের মঞ্চে হয়, তাহলে সেটি প্রতিটা ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে অবস্মরনীয় হয়ে থাকে ।  

প্রতি বিশ্বকাপে আসে বহু নতুন মুখ। তাদের মধ্যে কেউ কেউ পুরনো রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসও তৈরি করে। বিশ্বকাপ মানেই নতুন কিছু রেকর্ড গড়ার অপেক্ষা। সেটা পুরানোকে ভেঙে হোক বা ক্রিকেট নয়া ইতিহাসে প্রথমবার হওয়া ঘটনা। প্রতি বিশ্বকাপের মতো আসন্ন বিশ্বকাপেও প্রত্যাশিতভাবে তৈরি হবে বেশ কিছু রেকর্ড । কিন্তু বিশ্বকাপে এমন কিছু রেকর্ড আছে যেগুলি এই বিশ্বকাপে ভাঙা অসম্ভব।

কি সেই অসম্ভব রেকর্ডঃ

১. সবচেয়ে বেশি অর্ধশতরানঃ

বিশ্বকাপের অভঙ্গুর রেকর্ডের মধ্যে অন্যতম হল সচিন তেন্ডুলকারের সর্বাধিক অর্ধশতরান। ৬টি বিশ্বকাপে ৪৪টি ম্যাচে ২১টি অর্ধশতরান করেছেন তিনি। শুধুমাত্র অর্ধশতরানই নয় সবচেয়ে অধিক রানও রয়েছে মাস্টার ব্লাস্টারের ঝুলিতে।

 যদিও এই রেকর্ডকে ভাঙার চেষ্টা করেছেন বহুজন। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন। প্রাক্তন অজি অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়েরও বিশ্বকাপের মঞ্চে ১১টি অর্ধশতরান রয়েছে।

২. সবচেয়ে বেশি উইকেটঃ

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড অক্ষুন্ন রয়েছে অজি তারকা পেস বোলার গ্লেন ম্যাকগ্রা নামে। মোট ৫টি বিশ্বকাপে ৭১টি উইকেট পেয়েছেন তিনি। প্রতি বিশ্বকাপে উইকেটের গড় ছিল প্রায় ১৪টি করে। এই রেকর্ডও বেশ কয়েক বিশ্বকাপ ধরেই অক্ষত রয়েছে। তবে এই রেকর্ডের ভাঙার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কান স্পিনার মুথাইয়া মুরলিধরন(৬৯)।  তবে সেই রেকর্ড এখনও অক্ষুন্ন ও সুরক্ষিত রয়েছে।

৩. সফল অধিনায়কঃ

বিশ্বকাপের মঞ্চের জয়ের রেকর্ড দেখলে বহু অধিনায়কের নামই উঠে আসবে। তবে কাপ জয়ের রেকর্ডই বলে দেবে সেরা অধিনায়কের নাম। ২০০৩ এবং ২০০৭ উভয় বিশ্বকাপে কোনও ম্যাচ না হেরে পন্টিংয়ের অধিনায়কত্বে কার জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া।৩ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হয়ে ২৯টির মধ্যে ২৬টি ম্যাচ জিতেছেন। তাঁর জয়ের শতাংশ ৯২.৮৫।  অন্যদিকে সৌরভ ও ধোনির জয়ের শতাংশের তুলনায় অনেক বেশি।

৪. ইকনমিক স্পেলঃ

দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ইকনমিক স্পেলে অভঙ্গুর রেকর্ড ভারতীয় বোলার কিষান সিং বেদীর। ১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্বকাপ পর্যায়ে পূর্ব আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১২ ওভারে ৬ রান দেন। তবে এই রেকর্ডের কাছে পৌঁছেছিলেন ইংল্যান্ডের সিএম ওল্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের গ্রেট কার্টিলি এমব্রসব ১০ ওভারে ৮ রান দেন।

তবে, এও সত্যি রেকর্ড তৈরি হয় ভাঙার জন্য । আর কিংবদন্তী খেলোয়াড়রা খুশিই হন যখন দেখেন তাঁদের জুনিয়ররা সেই রেকর্ড ভেঙে আবার নতুন রেকর্ড গড়ছেন । তাই সকলেরই তীক্ষ্ণ নজর থাকবে বিশ্বকাপের দিকে । ক’টা রেকর্ড তৈরি হয় ? আর ক’টা ভাঙবে ?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here