বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রনে আসছে বিশেষ রাসায়নিক

দ্য পিপল ডেস্ক: প্রতিদিন মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়ে চলেছে বায়ুদূষণ ।

সেই দূষণের মাত্রা কিছুটা কমাতে এবার নতুন পথে হাঁটবে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

জলের সঙ্গে মিশিয়ে ওই বিশেষ রাসায়নিক স্প্রিঙ্কলারের মাধ্যমে ছেটানো হবে। এর ফলে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ কমবে বলেই দাবি পর্ষদের আধিকারিকদের।  

বায়ুদূষণ মোকাবিলার নতুন উদ্যোগ নিয়ে পর্ষদের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন,

ওই রাসায়নিক ব্যবহারের বিষয়ে একটি সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে কথাবার্তা হয়েছে।

ওই রাসায়নিক ব্যবহার করা হলে কোনও ক্ষতিকারক প্রভাব হবে কি না, প্রথমে তা পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া হবে।

ক্ষতিকারক কোনও প্রভাব না থাকলে ওয়াটার স্প্রিঙ্কলারের জলে মিশিয়ে ব্যবহার করা হবে।

এই প্রক্রিয়া কার্যকর হলে কলকাতা ও আশপাশের বিভিন্ন শহরে এটা কাজে লাগানো হবে। কারণ বছরের বাকী সময়ের তুলনায় শীতকালে বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়ে আরও দ্বিগুণ হয়ে যায়। এই ব্যবস্থা চালু হলে বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।  

পর্ষদ সূত্রে জানানো হয়েছে, এর আগে দিল্লি ও মহারাষ্ট্রের কয়েকটি জায়গায় ওয়াটার স্প্রিঙ্কলারে জলের সঙ্গে মিশিয়ে এই রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়েছে।

সেখানে এই ব্যবস্থা কতটা কার্যকরী হয়েছে, তা-ও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি বায়ুদূষণের নিরিখে রাজ্যের আরও ৬ টি পুরসভাকে ওয়াটার স্প্রিঙ্কলার দেওয়া হবে।

এই পুরসভাগুলি হল ব্যারাকপুর, হলদিয়া, বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল ও হাওড়া। এছাড়াও বারুইপুর ও দক্ষিণ দমদম পুরসভাকেও স্প্রিঙ্কলার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফোয়ারার মতো স্প্রিঙ্কলার থেকে জল ছড়ানো হবে শহর ও শহরতলির গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে।

রাসায়নিক ব্যবহারের বিষয়ে যে সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে পর্ষদের, তারা জানিয়েছে, জলের সঙ্গে ওই রায়াসনিক কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে স্প্রে করা হলে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণাগুলি তাতে সহজে জমাট বাঁধবে। ফলে সেগুলি বাতাসে ভাসমান অবস্থা থেকে আরও ভারী হয়ে নীচে চলে আসবে। শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে তা মানব শরীরে ঢুকে ক্ষতি করতে পারবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here