দ্য পিপল ডেস্ক : রাজ্য কংগ্রেসের হাল ধরতে ফের বহরমপুরের সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরীকেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদে বসালেন সর্বভারতীয় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি।

বৃহস্পতিবার প্রদেশ কংগ্রেস কার্যালয় বিধান ভবনে নবনিযুক্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শ্রী অধীর রঞ্জন চৌধুরি কার্যভার গ্রহণ করেন।

প্রয়াত নেতা প্রণব মুখোপাধ্যায় ও প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন।

উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান, সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরি, বিধায়ক ঈশা খান চৌধুরি, পশ্চিমবঙ্গ যুব কংগ্রেস সভাপতি শাদাব খান, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস মানবাধিকার সেলের চেয়ারম্যান ঋজু ঘোষাল, প্রদেশ ও জেলা নেতৃবৃন্দ ও কয়েক শো অনুপ্রাণিত কংগ্রেস কর্মী।

ফেব্রুয়ারি ২০১৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত প্রথম দফায় রাজ্য সভাপতির পদে ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরি।

এরপরই সভাপতির পদে তাঁকে সরিয়ে বসানো হয় বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্রকে।

যদিও একসময় সোমেনবাবু তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদও হয়েছিলেন। পরে দল ছেড়ে তিনি আবার যোগ দেন আবার কংগ্রেসে।

সোমেনবাবুর প্রয়াণে খালি হয় ওই পদ। মূলত তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধী অধীরকে পছন্দ করেন বামেরাও।

বরাবরই তিনি বামেদের সঙ্গে নির্বাচনী জোটের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। রাজ্য কংগ্রেস নেতাদের মতে গান্ধি পরিবারের প্রতি অগাধ আস্থাই অধীরের ওই পদে ফিরে আসার কারণ।

এ বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যর সঙ্গেও আলোচনা করে এআইসিসি।

এআইসিসি র সাধারণ সম্পাদক কে সি বেনুগোপাল বারবার আলোচনা করে তা জানিয়ে দিয়েছেন সোনিয়া গান্ধিকে।

অবশেষে বুধবার রাত ১১ টায় এক বিবৃতি জারি করে অধীরকেই সভাপতি পদে বসায় এআইসিসি।

তবে অধীরকে মূলত লড়াকু নেতা বলেই কেন্দ্রীয় নেতা বলেই কেন্দ্রীয় নেতারা স্বীকৃতি দিয়েছেন।

তিনি লোকসভায় যেমন নেতৃত্ব দিচ্ছেন তেমনি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটিরও প্রধানের পদে রয়েছেন।

এখন দেখার এই অধীর চৌধুরিই পুনরায় দায়িত্ব পেয়ে কতটা বামেদের সঙ্গে জোট সফল করে এ রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাদের বিধায়ক সংখ্যা বাড়াতে পারেন কিনা।

সেদিকে তাকিয়ে আছেন সবাই অধীর রঞ্জন চৌধুরি ছাড়া এই মুহূর্তে তেমন দাপুটে নেতা কংগ্রেসে কার্যত খুঁজেই পায়নি বলা চলে।