দ্য পিপল ডেস্কঃ লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্য থেকে মাত্র দু’টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। ৫২ টি আসন পেয়ে সংসদে কংগ্রেসের বিরোধী মুখ বর্ষীয়ান নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। কিন্তু বাংলাতেই রাশ আলগা হতে শুরু করেছে কংগ্রেসের।

তাই এবার তাঁদের ভরসা বামেরা। বিজেপি এবং তৃণমূলকে কোণঠাসা করতে বামেদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার কথা জানালেন ভারতীয় কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি সোনিয়া গান্ধী।

এনিয়ে বৃহস্পতিবার দিল্লি গিয়েছেন কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান। সেখানে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই বাংলায় তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বামেদের সঙ্গে জোটের কথা তোলেন কংগ্রেস কার্যকরী সভাপতি।

যদিও এর আগে বামেদের সঙ্গে জোটের কথা তুলে ধরেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সৌমেন মিত্র। যদিও সেবারে জোটের বিষয়ে রাজি হয়নি দল।

এর আগে ব্যারাকপুরের ঘটনায় একই সঙ্গে পথে নামতে দেখা গিয়েছিল বাম কংগ্রেসকে। কিছুদিন আগেই কংগ্রেসের ডাকা সাংবাদিক বৈঠকে ছুটে গিয়েছিল গোটা আলিমুদ্দিন।

শুধুমাত্র তাই-ই নয় বিধানসভার বাইরে এবং ওয়েলে নেমে বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান এবং সুজন চক্রবর্তীকে। এমনকি কিছুদিন আগেই কলকাতায় এসে জোটের কথা প্রকাশ করেছিলেন সিপিআই(এম) এর সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

যদিও এবিষয়ে দলের অন্যান্য নেতাদের মত নিয়ে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন জানিয়েছিলেন তিনি। এদিন বাংলা কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধীর এহেন মন্তব্য এই জল্পনা আবারও নতুন করে উস্কে দিয়েছে।

সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে একটিও আসন পায়নি বামেরা। তবুও বামেদের ওপর ভরসা রাখতে চাইছে কেন কংগ্রেস?

একইসঙ্গে জোট হলে সেক্ষেত্রে দুই দলের রণনীতি কি হবে? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। লোকসভা নির্বাচনে আসন বন্টন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ার কারণে বাংলার অধিকাংশ আসনেই লড়াই হয় চতুর্মুখী।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে বাংলায় নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে বিজেপি। দল বদলের হিড়িকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অনেকেই। তাই নতুন করে দলের রাশ ধরতে চাইছে দু’পক্ষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here