দ্য পিপল ডেস্কঃ বিধাতার বিচিত্র সৃষ্টি নারী! পুরুষই বা কম কিসে!এই নারী-পুরুষ বাঁধা এক অচ্ছেদ্য বন্ধনে। শুধু শরীর নয়, নারী-পুরুষের মন জানাজানিও ঘটে অনেক আগেই। তার পরেই পুরুষের কাছাকাছি আসে বিধাতার বিচিত্র সৃষ্টি।বিধাতার নিয়মেই জীবনে জীবন যোগ করেন তাঁরা। শুরু হয় সৃষ্টি সুখের উল্লাস। এই সঙ্গমের সময় নারী শরীরে সুর ওঠে, বলছে নয়া গবেষণা।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

কবির কথায়, পুষ্প আপনার জন্য ফোটে না, পরের জন্য তোমার হৃদয় কুসুমকে প্রস্ফুটিত করিও। কৈশোরেই বোধহয় এই মন্ত্র হৃদয়ে গেঁথে নেন সব নারীই। শুধু হৃদয় কুসুমের জায়গায় তিনি বসিয়ে নেন শরীর কুসুম। অর্থাত পুরুষকে আকৃষ্ট করতে শরীর, আরও স্পষ্ট করে বললে স্তন জোড়াই যে তাঁর হাতিয়ার, তা বুঝে যান সব নারীই। তাই কৈশোরেই শুরু হয় স্তনের পরিচর্যা। কখনও চন্দন মাখিয়ে, কখনওবা দুধের সর মাখিয়ে স্তন নিটোল এবং সুডৌল করার চেষ্টা করেন সব নারীই।

ব্রহ্মচর্যপর্ব শেষে বাড়ি ফিরে তরুণী বোনের এই সুডৌল স্তন দেখেই তো প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন সাক্ষাত যম! তার পর ফাঁকা ঘরে বোনের কপালে এঁকে দিয়েছিলেন ভালোবাসার চুম্বন চিহ্ন। রাত ঘনালে কামনার আগুন বুকে নিয়ে যমের বিছানায় চলে যান যমুনা। দুই তরুণ হৃদয় মেতে ওঠে শরীরি খেলায়। মোমের নিভু আলোয় যমুনার বক্ষবন্ধনী উন্মক্ত করে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন যম। এত মোলায়েম, এত সুন্দর, সুডৌল স্তন যমুনার!বিধাতার একি সৃষ্টি! এত সুন্দর বুক জোড়া তো সে এতদিন দেখেনি। ব্রহ্মচর্যাশ্রমে যাওয়ার আগে তিনি যখন বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ইরাবতী নদীতে স্নানে যেতেন, তখন নদীতে স্নানে আসা অন্য তরুণীদের ভিজে শরীর তিনি দেখেছেন একাধিকবার। শরীরের সিক্ত বসন ভেদ করে তরুণীকুলের দেহরেখা যখন স্পষ্ট হত, তখনও যমুনার শরীরের মতো এত নরম, মোলায়েম স্তনের প্রতিচ্ছবি তিনি দেখেননি। বিছানায় যমুনার শরীরি হিল্লোল মাতাল করে দেয় যমকে। রতিক্রীড়া শেষে যমুনার বক্ষবিভাজিকার মাঝে মাথা রেখে বিশ্রাম নেন রতিক্লান্ত যম। ঘোর কাটলে যমুনার দুটি স্তনবৃন্তে আরও একবার এঁকে দেন চুম্বন চিহ্ন।

যম-যমুনার কালে যা ঘটেছিল, আজও তাই ঘটে। নারীর দেহবল্লরিতে মুগ্ধ পুরুষ তাঁকে খোঁজে পথে, ঘাটে, বিছানায়। এই বিছানায় নারী-সঙ্গে পুরুষ হয়ে ওঠে পাগল।পাগল-প্রেমীকে শান্ত করতেই নারী সাধনা করেন শরীরের। সুডৌল স্তন, পুরুষ্ট যৌনাঙ্গ কীভাবে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, সেই চেষ্টাই নিরন্তর করে চলেন তিনি। সেই কারণেই পুরুষের কাছে মিলন এত মধুর হয়ে ওঠে।

গবেষকরা দেখেছেন, নারী-মন সায় দিলে সঙ্গমের সময় সুর ওঠে নারী শরীরে।এই সুরের দোলা ছুঁয়ে যায় পুরুষকে। তখনই নিটোল স্তনজোড়ার মাঝে মুখ লুকিয়ে কান পেতে সুর শোনেন কামনার আগুনে পুড়তে চাওয়া মাতাল পুরুষ! মন সায় না দিলে নারীর শরীর তখন শুধুই শরীর। যাতে রয়েছে কেবলই কামগন্ধী স্তন, যৌনাঙ্গ…।