দ্য পিপল ডেস্কঃ বীণা বাজানোর আগে তারে দু একবার টং শব্দ করে নিতে হয়। হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান ধরার আগেও রিড ছুঁয়ে দেখে নিতে হয় হারমোনিয়াম ঠিক বাজতে চাইছে কিনা। তেমনি রতিক্রীড়ায় মাততে গেলেও দেখে নিতে হবে, আপনার সঙ্গিনীটি প্রস্তুত তো!

কামসূত্রের লেখক বাৎস্যায়ন বলেছিলেন, নারী হল পুরুষের হাতের বীণা। যেমন বাজাবেন, তেমনি বাজবে। সুতরাং আপনার বিছানায় থাকা বীণাটি ঠিক কোন সুর তুলবে কিংবা আদৌ কোনও সুর তুলবে কিনা, তা পরখ করে দেখে নিতে হবে। সেই জন্যই সঙ্গিনীটিকে উত্তেজিত করে নেওয়া প্রয়োজন। ইংরেজিতে একে বলে ফোর প্লে। অর্থাৎ, আসল খেলা শুরুর আগে গা গরম করে নেওয়া।

তবে বিছানার নিরিবিলি আশ্রয় এক জিনিস, আর মাঠ কিংবা পার্কের আবডাল আর এক জিনিস। বিছানায় যে কাজটি যত সহজে করা যায়, মাঠ কিংবা পার্কে তা তত সহজে করা যায় না। কারণ, সেখানে অনেক জোড়া চোখ বাজ পাখির মতো নজর রাখছে আপনার হাত এবং মুখের দিকে।তাই পার্ক কিংবা মাঠে কীভাবে সঙ্গিনীকে উত্তেজিত করবেন, রইল তারই কিছু পরীক্ষিত কার্যকরী কৌশল।

তবে একটা কথা মনে রাখবেন, সঙ্গিনীটি আপনাকে পছন্দ করেন কিনা, তা ভালো করে বুঝে নিয়ে তবেই এগোবেন। না হলে ভালোবাসা নয়, আপনি তাঁর কাছে পরিণত হতে পারেন ঘৃণার পাত্রে। যদি বোঝেন সঙ্গিনীর মন-প্রাণ আপনাতেই নিমজ্জিত, তাহলেই তাঁকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করুন।

প্রথমে আসা যাক স্পর্শে। আলতো ছোঁয়ায় বদলে যেতে পারে অনেক কিছুই। ছুঁয়ে দেখুন সঙ্গিনীকে। যদি দেখেন, আপনার স্পর্শ তাঁর ভালো লাগছে, তাহলে আরও একটু বেশি করে ছুঁয়ে দেখুন। তবে প্রেম গাঢ় হওয়ার আগে পর্যন্ত হাতে হাত দিয়ে বসে থাকবেন না। বরং মাঝে মধ্যে ছুঁয়ে ওঁকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করুন। ঘাড় কিংবা কানের লতিতে হাত বোলান। এতেও সহজেই উত্তেজিত হন মহিলারা।সুযোগ থাকলে কোমরে হাত দিন। দেখুন, প্রেয়সীর শিরদাঁড়া বেয়ে বয়ে যাবে ঠান্ডা শিরশিরানি স্রোত।

যদি আরও বেশি করে উত্তেজিত করতে চান, তাহলে হাত দিন পিঠে। ব্রা-র হুকটি যেখানে থাকে, ঠিক সেইখানে। এটাও মেয়েদের উত্তেজিত করে খুব সহজেই। মনে রাখবেন, জামা কিংবা ব্লাউজের ওপর দিয়ে যদি কোনওভাবে একবার ব্রা-র ওপর হাত রাখতে পারেন, তাহলেই সঙ্গিনী কিন্তু অবশ হয়ে পড়বেন। তাঁর মনে আসবে ভালোবাসার জোয়ার।

তবে প্রথম প্রথম সম্পর্কে ভুলেও স্তনে হাত দেবেন না। স্তনে হাত দিলে মেয়েরা সহজেই উত্তেজিত হয় ঠিকই, তবে প্রথম প্রথম আপনার প্রেয়সী বিষয়টা ভালোভাবে নিতে নাও পারেন। মনে রাখবেন, ভালোবাসার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করলে চলবে না।

প্রেমের জোয়ারে ভাসতে গেলে হিসেবি হলে চলবে না। আপনার অনুরাগের ছোঁয়ায় সঙ্গিনী যদি উত্তেজিত হন, তবে ভালোবাসার জোয়ার আসবে তাঁর শরীরে, মনে। যে জোয়ারে ভাসার স্বপ্ন আপনি দেখেছিলেন সেই কৈশোরে। 

29 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here