দ্য পিপল ডেস্কঃ ফের অস্ট্রেলিয়া দলের ব্যাটন হাতে উঠছে স্টিভ স্মিথের ওপর ! চলতি অ্যাশেজ সিরিজে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন টেস্টের ১ নম্বর ব্যাটসম্যান।

নির্বাসন কাটিয়ে স্মিথের আগুনে ফর্মের ওপর নির্ভর করেই অ্যাশেজ দখলের পথে অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়া দলের ব্যাটন 01

ফের অস্ট্রেলিয়া দলের ব্যাটন ধরলেন স্মিথ

অ্যাশেজের পারফরমেন্সের ওপর নজর রেখেই আবারও অধিনায়কত্বের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে স্মিথকে।

  ২০১৮ সালে মার্চ মাসে কেপটাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্টে বল বিকৃতি করতে গিয়ে ধরা পড়েন ক্যামরন ব্যানক্রফ্ট।

স্মিথের অধিনায়কত্বে এই ঘটনা হওয়ার জেরে ব্যানক্রফ্ট, ওয়ার্নার সহ স্মিথকেও ১বছরের জন্য নির্বাসিত করে ক্রিকেট অষ্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়া দলের ব্যাটন 02

সেই সময় স্মিথের পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়া দলের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয় অজি উইকেট কিপার টিম পেইনের ওপর।

গত এক বছরে মোট তাঁর অধিনায়কত্বে ১৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া।

তাঁর মধ্যে যথাক্রমে ৫টি ম্যাচ জিতেছে এবং ৫টি ম্যাচ হেরেছে। বাকি তিনটে ম্যাচে ড্র করেছে ।  

 এমনকি চলতি অ্যাশেজ সিরিজেও দেখা গিয়েছে পেইনের নড়বড়ে অধিনায়কত্ব। প্রথম ম্যাচে জিতলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টে বোলার সিলেকশন করতে সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি।

এর জেরেই দুই টেস্ট ম্যাচে জয়ের কাছে এসেও অধরা রয়ে গেছে। পেইনের খারাপ ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে চিন্তিত অস্ট্রেলিয়ান বোর্ড।

 তাই আগামী সিরিজেই বদল হতে পারে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের অধিনায়ক পদের। পরবর্তিতে উশমান খোয়াজা ও ট্রেভিস হেডের নাম চিন্তা করা হচ্ছিল।

কিন্তু চলতি সিরিজে অফ ফর্মের জন্য নাম বাতিল করা হতে পারে তাঁদের। পাশাপাশি অ্যাশেজের ফর্মের নিরিখে নাম বাকি রইল প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউডের।

দুজনেই বোলার হওয়ায় অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম তাঁদের।

 তাই ফের স্মিথকেই টেস্টে অস্ট্রেলিয়া দলের ব্যাটন তুলে দিতে চান মার্ক টেলর, ইয়ান চ্যাপেলের মতো প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা।

 ২০১৪ সালে টেস্ট দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছিলেন স্টিভ স্মিথ । সেই সময়ে স্মিথের অধিনায়কত্বে অজিদের ঝুলিতে এসেছিল একাধিক জয় । 

বল বিকৃতি কাণ্ডের আগে মোট ৩৪টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন তিনি। তার মধ্যে জয় পেয়েছেন ১৮টি, হেরেছে ১০টি ম্যাচে। ড্র করেছেন ৬টিতে ।

স্মিথের নজরকাড়া পারফর্ম্যান্সের ওপর আপাতত আস্থা রাখতে পারে ক্রিকেট অষ্ট্রেলিয়া,এমনটাই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here