দ্য পিপল ডেস্কঃ উত্তরপরদেশের শোনভদ্র জেলার উভা গ্রামের ঘারোয়াল এলয়াকায় ১০ জন দলিতের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা দেশ। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে শোনভদ্রের পথে রওনা দেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। কিন্তু মির্জাপুরের নারায়নপুর চৌকির কাছে বাধা দেওয়া হয় তাঁকে। চুনার গেস্ট হাউসের সামনে টানা ২৪ ঘন্টা ধর্নায় বসেন তিনি। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা না করা অবধি ধর্না চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

নিহতদের দুই পরিবার দেখা করেছেন প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে। বাকি ১৫ টি পরিবারকে আসতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রিয়াঙ্কা।   

অন্যদিকে শনিবার নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে শোনভদ্রের পথে রওনা দেন ডেরেক ও ব্রায়েন সহ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। কিন্তু বারাণসী বিমানবন্দরেই বাধা দেওয়া হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে।

উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রা জেলার উভা গ্রামের ঘোরোয়াল এলাকায় ৯০ বিঘা জমিকে কেন্দ্র করে বুধবার বিবাদের সৃষ্টি হয়। ঘটনায় প্রাণ হারান ১১ জন। আহত হন প্রায় ১৫ জন। নিহতদের মধ্যে ৩ জন মহিলা।

পুলিশ সুত্রের খবর, ওই ৯০ বিঘা জমির মালিক ছিলেন এক আইপিএস অফিসার। পরে ওই জমি গ্রাম প্রধান যজ্ঞ দত্তকে বিক্রি করে দেন তিনি। বুধবার ১০ থেকে ১২ টি ট্রাক্টর নিয়ে জমি দখল করতে যান গ্রাম প্রধান। তাঁদের বাধা দেন স্থানীয়রা। সেখান থেকেই ঘটনার সুত্রপাত। অভিযোগ, এরপর বিবাদ চরমে পৌঁছালে স্থানীয়দের ওপর বোমা ও গুলি চালাতে শুরু করে গ্রাম প্রধান ও তাঁর সঙ্গীরা। প্রাণ হারান ১১ জন।