দ্য পিপল ডেস্কঃ করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে এবার হার মানলেন সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের কর্ণধার শঙ্কর সেন।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।

মঙ্গলবার কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান তিনি।

সেনকো গোল্ডের কর্ণধারের মৃত্যুর খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই শিল্পমহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার সূত্রে খবর, প্রায় দশদিন ধরে তিনি কলকাতার বাইপাসের ধারের ওই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

জ্বর ও শ্বাসকষ্টের মতো করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সেনকো গোল্ডের কর্ণধার শঙ্কর সেন।

সেখানেই তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। হার্টের সমস্যা থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার সকালে হার্ট অ্যাটাক হয়।

তারপরই তাঁর মৃত্যু হয়। উল্লেখ্য, করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিল হয়েছিল সেনকো গোল্ড।

চলতি মাসেই ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) সঙ্গে যৌথভাবে কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের সম্মানিত করেছিল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস।

রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের তরফে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতে সম্মানস্মারক রুপোর মুদ্রা তুলে দেওয়া হয়েছিল।

সমগ্র বিষয় ভাবনা ছিল শঙ্কর সেনের। রুপোর মুদ্রার নকশাও করেছিলেন তিনি নিজে।

শঙ্কর সেন সারা ভারতের গয়নাশিল্পে ছিলেন পরিচিত মুখ। নয়ের দশকে বাবার তিনটি ছোট সোনার দোকান থেকে ব্যবসার হাল ধরেছিলেন তিনি।

সেখান থেকে সেনকো গোল্ডের বাৎসরিক টার্নওভার এখন আকাশছোঁয়া। দেশের একশোটিরও বেশি ব্রাঞ্চ রয়েছে সেনকো গোল্ডের।

সারা দেশের ১৪টি রাজ্যে ব্যবসা করছে সেনকো। সংস্থার প্রধান মানুষটাই এভাবে আকস্মিক চলে যাওয়ায় বিপর্যস্ত সেনকো গোল্ডের কর্মীরা।

দেশের স্বর্ণ ব্যবসায় শঙ্কর সেনের ক্ষুরধার মস্তিষ্কের প্রশংসা করতেন অনেক বড় শিল্পপতিরাও। সেই তিনিই বিদায় নিলেন মারণ ভাইরাসের কারণে।