দ্য পিপল ডেস্কঃ ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালকে এখনও পর্যন্ত বিশ্ব ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ফাইনাল বলছেন বিশেষজ্ঞরা । ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের লড়াইয়ে মুগ্ধ গোটা ক্রীড়ামহল। ম্যাচে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই দেওয়ার পরও আইসিসির বিতর্কিত নিয়মের জেরেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয় কিউয়িদের।

ম্যাচের পর তিনদিন কেটে গেলেও আইসিসির নিয়মাবলীকে দুষতে ছাড়ছেন না কেউই। বহু প্রাক্তন ও বর্তমান খেলোয়াড়দের মতো ভারতের তারকা ব্যাটসম্যান সচিন তেন্ডুলকরও আইসিসির নিয়মের তীব্র সমালোচনা করেন।

তিনি জানান, সুপার ওভার ড্র হওয়ায় বাউন্ডারি কাউন্টিংয়ের পরিবর্তে দ্বিতীয়বার সুপার ওভার করতে পারত আইসিসি। সেখান থেকেই উঠে আসত চ্যাম্পিয়ন দল। দুই দলের বাউন্ডারি কাউন্টিং নিয়মটি খারাপ। শুধুমাত্র বিশ্বকাপ ফাইনাল বলে নয়। প্রতিযোগিতার প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ন। তাই প্রতিটা ম্যাচকেই গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।

এছাড়াও ফুটবলের প্রসঙ্গ টেনে মাস্টার ব্লাস্টার আরও বলেন, যখন ফুটবলে অতিরিক্ত টাইমে খেলা গড়ায়। টাইব্রেকার ড্র হলে, আবার দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া হয়। তেমনভাবে ক্রিকেটে সুপারওভার ড্র হলে, দ্বিতীয়বার সুপারওভার করা উচিত।  

 লর্ডসের ফাইনাল ম্যাচে সুপারওভার যোগ করে ইংল্যান্ড মোট ২২টি বাউন্ডারি মেরেছিল। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড বাউন্ডারি মেরেছিল ১৬টি। তুলনামূলকভাবে বাউন্ডারি সংখ্যায় বেশি হওয়ায় বিজয়ী ঘোষনা করা হয় ইংল্যান্ডকে।

এছাড়াও, বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে কিউয়িদের বিরুদ্ধে হেরে বিদায় নেওয়ার পর আইসিসি রবিন রাউন্ডের পর নকআউটে নিয়ম নিয়ে তোপ দেগে ছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আইপিএল-এর নকআউট নিয়মানুযায়ী, টেবিলের শীর্ষে থাকা দুটি দল অতিরিক্ত সুযোগ পায়।  বিশ্বকাপেও তেমন নিয়ম হওয়ার কথা বলেছেন বিরাট। তাঁর এই কথাতেও সহমত পোষন করে মাস্টার ব্লাস্টার বলেন, গ্রুপ লিগে যে দলগুলি ধারাবাহিক পারফরমেন্স করছে। নক আউটে অতিরিক্ত সুযোগ পাওয়া উচিত তাদের।  

14 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here