দ্য পিপল ডেস্ক: কী বার্তা দিলেন পরিচালক নন্দিতা দাস ? সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়ায়  একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। তবে সেই ভিডিও তে কি বার্তা দিলেন নন্দিতা ?

এই উন্নত সমাজে এখনও প্রায় অনেক মানুষেরই চিন্তাভাবনার কোনও বদল হয়নি। বর্ণবৈষম্য নিয়ে এখনও অনেক মানুষের থেকে নিম্ন মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়।

অনেকেই ভ্রান্ত ধারণা বুকে আগলে বেঁচে আছেন। তবে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে প্রথমবার প্রতিবাদ করেছিলেন নন্দিতা। মুক্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন ‘ডার্ক ইজ বিউটিফুল’। সেখান থেকেই তাঁর পথ চলা শুরু হয়।       

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নন্দিতা দাসের সেই ক্যাম্পেন পরিচিতি পেয়েছে ‘ইন্ডিয়াজ গট কালার’ ক্যাম্পেন হিসাবে।

প্রত্যেকটি মানুষের গায়ের রঙ যে সবসময় ফর্সা হবে তার কোনও মানে নেই। পৃথিবীতে শুধুমাত্র ফর্সা নয়, এই দেশে সব বর্ণের মানুষ সমান ভাবে যোগ্য সেই বার্তা প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে পৌছে দেওয়ার জন্য পুজোর আগে একটি গানের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

সেই গানের ভিডিওতে দেখা গেছে বলিউডের অনেক তারকাকে। বলিউডের সেই তারকাদের মধ্যে রয়েছে রাধিকা আপ্তে, স্বরা ভাস্কর, দিব্যা দত্ত, রত্না পাঠক, বিক্রান্ত মাসে।

পরিচালক নন্দিতা বলেন,  ভারতে যত ধর্মের মানুষ আছে ঠিক তত রঙের বৈচিত্র ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু অনেকেই আছেন, পুরনো বস্তাপচা ধারণা থেকে বাইরে বেরোতে পারেন না। এখনও অনেক মানুষকে গায়ের রঙের জন্য মারাত্মক ভাবে অপমানিত হতে হয়। অনেক সময়ে বিয়ের সম্বন্ধ দেখতে এসে পাত্রীর গায়ের রঙ কালো হওয়ার জন্য পাত্রপক্ষ তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে কথা শোনাতে ছাড়ে  না। জাত, ধর্ম, লিঙ্গ, বৈষম্যের বিরুদ্ধে যেমন কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ঠিক একইভাবে প্রয়োজন প্রথাগত ভাবে চলে আসা গায়ের রঙ নিয়ে কুসংস্কার বন্ধ হওয়া।

মানুষের মনের সেই ভুল ভাঙতে এই ভিডিও বানানো হয়েছে। এই ভিডিও দেখে দেশের চিন্তাভাবনায় যাতে কিছু বদল আসে। যা তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌছালে সেখান থেকে তাঁরাও রুখে দাড়াতে পারে।

ভিডিওর পরিচালক মহেশ মাথাই জানান, আমাদের সমাজে ও মানসিকতায় গেঁথে র‍য়েছে বর্ণবৈষম্যের বীজ। আমাদের তো গর্বিত হওয়া উচিত আমাদের দেশে এত ধরনের বর্ণের মানুষ রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here