দ্য পিপল ডেস্কঃ ঘাটতি মিটিয়ে স্বমহিমায় বর্ষা। ফলে টইটুম্বর পশ্মিমবঙ্গ ও ঝাড়খন্ডের দুই জলাধার। জল বারলে জলাধারের লক গেট খুলে দিতে হয়। সেক্ষেত্রে বেড়ে যায় বন্যার আশঙ্কা। কেমন রয়েছে এই জলাধার গুলির স্বাস্থ চলুন দেখেনি…

মাইথন

ঝাড়খন্ডের ধানবাদ থেকে প্রায় ৮৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এই জলাধার। মূলত বর্ষায় বন্যার হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে এই জলাধার নির্মান করা হয়েছিল। পাশাপাশি ৬০,০০০ কিলো ওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যও নির্মান করা হয়েছিল এই জলাধারটিকে। বরাকর নদীর উপরে নির্মান করা হয়েছিল এই মাইথন জলাধারটি ।

এই মাইথন জলাধারের একদিকে রয়েছে ঝাড়খন্ড রাজ্যের ধানবাদ ও বোকারো জেলা। এছাড়াও বেশ কয়েকটি জেলার অংশ রয়েছে। আবার জলাধারটির অন্যপ্রান্তে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান, হুগলি , বাঁকুড়া, হাওড়া ও পুরুলিয়া।

বহু পুরনো এই জলাধারটি জল ধারণ ক্ষমতা ১,০০,০০০ ঘনফুট/ সে।  টানা দুদিনের বৃষ্টিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে এই বাঁধটির। জল না ছাড়লে আরও সমস্যা দেখা দিতে পারে বাঁধটির। অন্যদিকে ঝাড়খন্ড সরকার জল ছেড়ে দিলে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান, হুগলি , বাঁকুড়া, হাওড়া ও পুরুলিয়ায বন্যা দেখা দিতে পারে। তাই জল ছাড়া নিয়ে কেন্দ্র সরকার রাজ্য সরকারকে চিঠি পাঠালেও কোনও সুরাহা হয়নি।

পাঞ্চেত জলাধার –

ঝাড়খন্ডের ধানবাদ জেলার পাঞ্চেতে রয়েছে এই জলাধারটি। ১৯৫৯ সালে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন নির্মান করেছিল এই বাঁধটি। বন্যা নিয়ন্ত্রনে তৈরি করা হয়েছিল এই জলাধারটি।

ঝাড়খন্ডের ধানবাদ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থান করছে এই পাঞ্চেত জলাধার। পাঞ্চেত জলাধারের উত্তরদিকে রয়েছে ধানবাদ এবং দক্ষিন-পুর্ব দিকে রয়েছে পুরুলিয়া।

১৯৫৯ সালের নির্মিত এই জলাধারের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কা জনক। দুদিনের বৃষ্টির ফলে সমস্যা দেখা দিয়েছে এই বাঁধে। পাঞ্চেত বাঁধের জল না ছাড়লে আরও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে বাঁধে। অন্যদিকে বাঁধের জল ছাড়লে জলমঙ্গ হয়ে পড়বে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলা।

জল সমস্যা নিয়ে কথা চলছে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের। সমস্যা নিয়ে কেন্দ্র সরকারকে চিঠিও পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। জল সমস্যা নিয়ে চিন্তিত দুই রাজ্যেরই মানুষ।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here