দ্য পিপল ডেস্কঃ ক্রমশ বাড়ছে আন্দোলনের আকার। শনিবার হংকংয়ের সমস্ত রেল পরিষেবা বাতিল ঘোষণা করল সরকার। সরকারের ‘অ্যান্টি মাস্ক’ আইন প্রবর্তন করার পরেই শুক্রবারেই হংকংয়ের বেশ কিছু স্টেশন তছনছ করে দেয় আন্দোলনকারীরা। তারপর থেকেই পরিস্থিতি ক্রমাগত উত্তপ্ত হতে শুরু করে।

গত একমাস ধরে চলা হংকংয়ের গণ আন্দোলন প্রতিরোধ করতে শুক্রবার এই নতুন আইন আনে সরকার। আইনে স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে যদি কোনও ব্যক্তি মুখোশ পরে আন্দোলনে নামেন, তবে তাঁকে জেল হেফাজতে রাখা হতে পারে। আইন অস্বীকার করতে নারাজ আন্দোলনকারীরা। তাই আন্দোলনের আকার ক্রমশ বাড়তে শুরু করে।

ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে ঢাল হয়ে দাঁড়াতে এই পদক্ষেপ নেন হংকংয়ের মুখ্য আধিকারিক ক্যারি ল্যাম। গত সপ্তাহেই চিনের বর্ষপূর্তি উদযাপন চলাকালীন শহরের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ দেখান প্রায় দশ হাজারের বেশি আন্দোলনকারী।
শুক্রবার মধ্যরাতের আগেই পুলিশ এবং আন্দোলনকারীদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। প্রতিবাদে স্টেশন ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। রেল পরিষেবা বন্ধ করতে উদ্যোগ নেয় বিক্ষোভকারী দল।

ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন এক যুবক। হাসপাতাল সূত্রের খবর, পায়ে গুলি লেগে আহত হন ওই যুবক। যদিও পুলিশ সূত্রের খবর, পুলিশ অফিসারের ওপর আক্রমণ চালায় ওই যুবক। নিজেকে বাঁচাতেই ওই পুলিশ অফিসার গুলি চালিয়েছেন।

চিনের একাধিক জায়গায় আন্দোলনের আকার ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত স্টেশনগুলিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন রেল কর্মীরা। শনিবার সরকারি তরফে হংকংয়ের সমস্ত রেল পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here