ফণী দেখে বুলবুলকে ভয় , আশঙ্কায় যেন প্রহর গুনছে বাংলা

দ্য পিপল ডেস্কঃ কতদূরে আছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল? যে সময় বলা হয়েছে সেই সময়েই নাকি আর একটু আগে-পড়ে কখন আসবে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল? বাড়িতে হোক বা ট্রেনে, বাসে অথবা চায়ের দোকানে, সর্বত্রই এই প্রশ্ন শোনা যাচ্ছে। ফণী দেখে বুলবুলকে ভয় ,যেন একরাশ আতঙ্ক তাড়া করে বেরাচ্ছে আমজনতার চোখেমুখে।

বাংলার দিকে ক্রমশ এগিয়ে আসছে শক্তিশালি বুলবুল। সেই ভয়াবহতার আশঙ্কায় যেন প্রহর গুনছে বাংলা।

ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়া ভয়ঙ্কর ফণী দেখেছে বাংলা। সোশাল মিডিয়ার দৌলতে ভাইরাল হয়েছে ধ্বংসের একাধিক ভিডিও।

আরও পড়ুনঃ ধেয়ে আসছে বুলবুল , আয়লার স্মৃতি উসকে ত্রস্ত সুন্দরবন

বিদ্যুতের খুঁটি থেকে মোবাইল টাওয়ার, রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি মুহূর্তে উড়ে গেছে ফণীর শক্তিতে।

স্কুল, অফিস, হোটেল ফণীর তাণ্ডবে সব ভেঙেচুরে একেবারে ধ্বংস স্তুপের চেহারা নিয়েছিল গোটা ওড়িশা। বিশেষ করে ফণী আছড়ে পড়া পুরী চত্বরে।

ধ্বংসের জের চলেছে প্রায় একমাস। ৭০ জনের মতো সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ও বহু সম্পত্তি ক্ষয়ক্ষতি হয়।

আবার সেই পরিস্থিতিতে পড়তে হবে এ রাজ্যকে? ফণী দেখে বুলবুলকে ভয় পাচ্ছেন অনেকেই। ইতিমধ্যেই আতঙ্কে ভুগছেন বাংলার মানুষ।

প্রথম থেকেই অতি শক্তিশালি আখ্যা দেওয়া হয়েছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলকে।

ভীষণ শক্তি নিয়েই সে আসছে বলে তার গতিপথের দিকে সব সময়ের জন্য নজর রেখে চলেছে আবহাওয়া দফতর।

বুলবুল ছাড়বে না প্রতিবেশী বাংলাদেশকেও।

#AYODHYAVERDICT: অযোধ্যার জমি রামলালার, অন্যত্র জমি সুন্নি ওয়াকফকে

এরাজ্যের সুন্দরবনে আছড়ে পড়ার পর বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূলে শক্তি ছড়াবে বুলবুল। ফলে এরাজ্যের সঙ্গে আতঙ্কে আছে বাংলাদেশও।  

তবে ফণী এরাজ্যের মানুষকে যতটা ভয় দেখিয়েছিল কাজে ততটা করতে পারেনি।

কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য, ফণীর মতো বুলবুলও পালিয়ে যাবে।

তবে বুলবুলরের সঙ্গে লড়াই করতে আধিকারিকদের সঙ্গে নিজে উপস্থিত থেকে ২৪ ঘন্টা মনিটরিং চালাচ্ছেন কলকাতার মেয়র।  সব রকম ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে রাজ্যের পক্ষ থেকে। 

শনিবার সন্ধ্যার দিকে সুন্দরবন উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে বুলবুল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here