দ্য পিপল ডেস্কঃ ৩৪ বছর পর জাতীয় শিক্ষানীতিতে বদল। শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে স্কুল ও কলেজ শিক্ষার ক্ষেত্রে একাধিক বদল আনা হল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে। এদিন টুইট করে নতুন শিক্ষা পদ্ধতিকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

টুইটে তিনি লেখেন, আমি আন্তরিকভাবে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ কে স্বাগত জানাই। এটি শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি ও বহুল প্রতীক্ষিত সংস্কার এনে দিয়েছে, যা আগামী সময়ে লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রককে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, নতুন পাঠক্রম অনেক নমনীয় ও সৃজনশীল হবে। বৃত্তিমূলক শিক্ষায় অনেক সুবিধা মিলবে। শিক্ষার এই সংস্কারের ফলে দেশের উচ্চশিক্ষায় বহু দিক খুলে যাবে।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে নতুন শিক্ষা ব্যবস্থায় বহু পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। গতে বাঁধা পড়াশোনা থেকে বেরতে সিলেবাস কমিয়ে ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে।

পড়ার চাপ কমাতে প্রজেক্ট, অ্যাক্টিভিটি ভিত্তিক পড়াশোনাতে গুরুত্ব বাড়ছে। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষা বা আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হল।

এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী টুইটে লেখেন, ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ এর প্রতি সম্মান জানাই। সংস্কৃত সহ ভারতীয় ভাষাগুলি আরও বেশি করে প্রচার পাবে। মাধ্যমিক স্তর থেকেই অনেক বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ বাড়বে।

উল্লেখ্য, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকেই আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা আর থাকছে না। নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ পুরোটাই সেমিস্টার সিস্টেমে আওতায় আনতে চাইছে কেন্দ্র।

পাশাপাশি, একাদশ থেকে যে আর্টস, সায়েন্স, কমার্সের ভাগ ছিল তা নবম থেকেই চালু করতে চাইছে কেন্দ্র। পাশাপাশি থাকছে ভোকেশনাল ট্রেনিং।
স্নাতকে অনার্স কোর্স ৩ বছরের বদলে ৪ বছর করা হল। স্নাতকোত্তর হতে পারে এক বছরের। উঠে যাচ্ছে এমফিল।

কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও বহু বদল আসতে চলেছে। যদিও এসব নির্ভর করবে প্রত্যেক রাজ্যের সহমতের উপর। রাজ্যের অনুমতি পেলেই চালু হবে নয়া নিয়ম।