এফটিএফ রিপোর্টে পাকিস্তান 01

দ্য পিপল ডেস্ক-রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের বিশেষ সন্ত্রাসদমন শাখা এফটিএফ –এর রিপোর্টে প্রকাশ পেল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

এফটিএফ রিপোর্টে পাকিস্তান

প্রায় ২ বছর আগে ঘটনা । এফটিএফ-এর তরফে পাকিস্তানকে ৪০টি সুপারিশ করা হয়েছিল । যার মূল উদ্দেশ্য ছিল সন্ত্রাসে আর্থিক মদত বন্ধ করা ।

তবে গত দেড় বছরে মাত্র একটি সুপারিশ মেনেছে পাকিস্তান ! প্রশাসনের তরফে অগ্রাহ্য হয়েছে একাধিক সুপারিশ ।

সেই সব সুপারিশের বেশির ভাগই অবহেলিত । সন্ত্রাসে আর্থিক মদত বন্ধ করা নিয়ে নজরদারি সংস্থা এফএটিএফ-এর আসন্ন বৈঠকে ফের ব্যাফুটে পাকিস্তান ।

ওয়াকিবহল মহলের মতে, আসন্ন বৈঠকে ‘ধূসর তালিকা’তেই রেখে দেওয়া হবে পাকিস্তানকে ।

চলতি মাসেই প্যারিসে সংস্থাটির প্লেনারি অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে । 

এর মধ্যেই ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ বলেছেন, এফএটিএফ যে কোনও দিন পাকিস্তানকে ‘কালো তালিকা’য় ফেলে দেবে ।

এফটিএফ রিপোর্টে পাকিস্তান 02

এফটিএফ রিপোর্টে পাকিস্তান, চাপে ইমরান খান সরকার

এমনিতেই সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে বেশ চাপে রয়েছে ইমরান খান সরকার । তার মধ্যে রাজনাথের মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে ইসলামাবাদ ।

তাদের বক্তব্য, এফএটিএফ-এর কর্মপদ্ধতিতে রাজনীতি ঢোকানোর চেষ্টা করছে ভারত । 

উল্লেখ্য, সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের মদত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব ভারত ।

তাদের অভিযোগ, জঙ্গিদের শুধু প্রশিক্ষণ বা অস্ত্র সাহায্যই করে না পাকিস্তান । একাধিক জঙ্গিগোষ্ঠীকে বিপুল পরিমাণ আর্থিক সাহায্য করে তারা ।

২০১৮-এর জুনেই পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করে এফএটিএফ জানিয়ে দেয়, জঙ্গিদের আর্থিক মদত দেওয়া বন্ধ করতেই হবে ইসলামাবাদকে ।

না হলে পাকিস্তানকে ‘কালো তালিকা’য় পাঠিয়ে তাদের বিরুদ্ধে জারি করা হবে একাধিক নিষেধাজ্ঞা ।

৪০টি সুপারিশ দ্রুত রূপায়ণ করতেও নির্দেশ দেয় আন্তর্জাতিক সংস্থাটি । কিন্তু সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই সব সুপারিশের বেশির ভাগই অবহেলিত । 

অন্যদিকে মুম্বই হামলার মূল ষড়যন্ত্রী হাফিজ সইদের গ্রেফতারি নিয়ে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল লাহৌর হাইকোর্ট ।

১৪ দিনের মধ্যে এ নিয়ে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে পঞ্জাব সরকার এবং সন্ত্রাস দমন দফতর (সিটিডি)-কে ।

এফটিএফের প্লেনারি অধিবেশনে পাকিস্তানের ভাগ্যে ক্লিনটিন না ধূসর তালিকা জোটে তা সময়েই বলবে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here