প্রতীকী ছবি

দ্য পিপল ডেস্ক : ডিসেম্বর থেকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অতিমারি করোনা। এক একটা দেশকে মৃত্যুপুরী বানিয়ে ছাড়ছে এই মারণ ভাইরাস। বড় বড় বিজ্ঞানীরাও হার মেনে যাচ্ছে এর কাছে।


বর্তমানে সবথেকে শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা ও ভারত। রোজই রেকর্ড সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে এই দুটি দেশে। মৃত্যুর দিক দিয়েও নজির গড়ছে এই দেশদুটি।


এই পরিস্থিতিতে ভ্যাক্সিন বের করতে জোরকদমে কাজ করছে বিশ্বের সবকটি দেশই। কীভাবে কী করলে খুব তাড়াতাড়ি ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করা যায় তাঁর জন্যই নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা।


সুত্রের খবর, বর্তমানে বিশ্বের সব দেশগুলির তুলনায় ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করতে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে। হু এর বিজ্ঞানীরাও এই ভ্যাক্সিনটিকে অনুমতি দিচ্ছে।


জানা গিয়েছে, এর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ভ্যাক্সিনটি তৈরির তৃতীয় ধাপের কাজ চলছে। এর ফলাফল আগস্ট মাসের শুরুতেই বেরিয়ে যাবে বলে মনে করছে গবেষকরা।


এই তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার ফল বেরোনোর পরই জানা যাবে ভ্যাক্সিনটি করোনা রুখতে সক্ষম কিনা। একবার পরীক্ষায় পাশ হয়ে গেলেই নিয়ন্ত্রকেরা জরুরী পরিষেবার জন্য তা ব্যবহারের অনুমতি দেবেন বলে জানিয়েছেন।


অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে পাওয়া খবর অনুযায়ী, আগামি অক্টোবর মাসের মধ্যেই উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন রোগিরা ভ্যাক্সিন পেয়ে যাবে।


অন্যদিকে, ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার তরফে জানানো হয়েছে, পুরোপুরি অনুমোদন পেতে ভ্যাক্সিনটির অনেকরকম পরীক্ষা করতে হবে। ফলে আগামি বছরের শুরুর আগে এখনও কিছু আশা করা যায় না।


অ্যাস্ট্রাজেনেকার তরফে আরও জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে তাঁরা ২০০ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন তৈরির ফরমাশ পেয়েছেন। প্রতি ডোজ ভ্যাক্সিনের দাম এক কাপ কফির দামের সমান হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রধান নির্বাহী প্যাসকল সারিওট বলেন, তাঁদের এই ভ্যাক্সিন এক বছর পর্যন্ত কোভিড ১৯ এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবে।


সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে অক্টোবরেই ভ্যাক্সিন সরবরাহ শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত এপ্রিল মাস থেকে ভ্যাক্সিনের পরীক্ষা শুরু করে। দক্ষিণ আফ্রিকায় গত জুন মাস থেকে পরীক্ষা বাড়ায় অক্সফোর্ড।