দ্য পিপল ডেস্কঃ ২৭ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড। গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছিল তারা। এরপর থেকেই নতুন সূর্যোদয় হয় ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের মধ্যে। ইওন মরগ্যানের অধনিয়াকত্বে দীর্ঘ ৩ বছর ধরে ৫০ ওভার ক্রিকেট ফরম্যাটে সেরা দল হিসেবে তৈরি হয় ইংলিশ বাহিনী। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং তিন বিভাগেই উন্নতি করেছে ইংল্যান্ড।

 এমনকি দুবছরের বেশি সময় ধরে নিজেদের এক নম্বর স্থানে উঠে এসেছিল ব্রিটিশরা। বিশ্বকাপ অভিযানও শুরু করেছে ফেভারিট হয়েই। বর্তমান ইংল্যান্ডের পারফরমেন্স ও ঘরের মাঠে বাড়তি সুবিধার কথা ভেবেই বিশ্বকাপের শুরুতেই মর্গ্যানদের হাতে কাপ তুলে দিয়েছেন  বিশেষজ্ঞরা।

   গ্রুপ রাউন্ডে সাউথ আফ্রিকা, ভারত, আফগানিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বড় জয় পেয়েছেন রুটরা। প্রথমে পাকিস্তান, পরে শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে হেরে কিছুটা বেগ পেয়েছিলেন স্টোকসরা। তবে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একতরফা জয় ছিনিয়ে এনেছে ইংল্যান্ড।

 অন্যদিকে, বিশ্বকাপে আন্ডার ডগ হিসেবে অভিযান শুরু নিউজিল্যান্ডের। বোল্ট, ফের্গুসন, ম্যাট হেনরির বোলিং দাপট এবং টেলর-কেন জুটিতে ভর করে ফাইনালে কিউয়িরা। এই নিয়ে পরপর দুইবার ফাইনালে উইলিয়ামসানরা।

এবারে গ্রুপে শুরুটাও করে ভালো। টানা ৬টি ম্যাচ অপ্রতিরোধ্য ছিল তাঁরা। তবে শেষের দিকে তিন ম্যাচ হেরে চাপের মুখে পড়ে নিউজিল্যান্ড । তবুও পজিটিভ পয়েন্ট থাকায় সেমিফাইনালে সহজেই জায়গা করে নেয় কিউয়িরা।

কিন্তু নক আউট পর্বে ভারতীয় বোলিং আক্রমণে কিউয়ি ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামে। বৃষ্টির জন্য প্রথম দিন শেষ না হওয়ায় দ্বিতীয় দিনে খেলা যায়। পরের দিন ওভারকাস্ট কন্ডিশনে বোল্ট, হেনরির দাপুটে বোলিংয়ের সামনে গুড়িয়ে যায় ভারতের ব্যাটিং।

 বহু কড়া চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে ফাইনালে দুই দলই। তবে ফাইনালে মাঠে লড়াইটা হবে কিউয়ি বোলিং অ্যাটাকের সামনে ইংল্যান্ডের বিশাল ব্যাটিং। লড়াইও হবে সেয়ানে সেয়ানে। যু্দ্ধ হবে বোল্ট বনাম জেশন রয়।  হেনরি বনাম রুটের। উইলিয়ামসন বনাম জফ্রা আর্চার।

এই দুই দলই এখনও পর্যন্ত বিশ্বজয়ের স্বাদ পায়নি। তাই নতুন কোন দল বিশ্বকাপের স্পর্শ পাবে ঐতিহাসিক লন্ডনের মাটিতে সেদিকেই নজর থাকবে গোটা ক্রিকেট বিশ্বের। 

9 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here