দ্য পিপল ডেস্কঃ নতুন রাজ্যপাল পদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে রাজ্যের সংঘাত চরমে ঠেকেছে।

একাধিকবার রাজ্য সরকারের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে রাজ্যপালের অতি সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্য। সোমবার ফের সেই সংঘাত আরও একধাপ বেড়ে দাঁড়াল।

এদিন উত্তর ২৪ পরগণার ধামাখালিতে প্রশাসনিক বৈঠকের কথা ছিল রাজ্যপালের। রাজভবনের তরফে জেলাশাসককে চিঠিও পাঠানো হয়।

রবিবার রাজভবনের পাঠানো চিঠির জবাব পাঠান জেলাশাসক। জেলাশাসকের তরফে জানানো হয়, রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকরা উত্তরবঙ্গে থাকায় তাই সেই বৈঠকের জন্য অনুমতি দেয়নি রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুনঃ জরুরি বৈঠকে মিটতে পারে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের ধর্মঘট

এরপরেই রাজ্য সরকারের ওপর ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বিষয়টি অসাংবিধানিক বলে সাফ জানিয়ে দেন রাজ্যপাল।

রাজ্যপালের কথায়, এদিনের বৈঠকের কথা জানিয়ে জেলাশসককে ১৭ তারিখ চিঠি পাঠানো হয়। রাজ্যপালের বৈঠকের জন্য রাজ্যসরকারের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে কেন ? পাশপাশি রাজ্য সরকারের অধীনে রাজ্যপাল থাকতে পারে না বলে এদিন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এর আগে উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক বৈঠকে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

সেবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্য এবং দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত। কিন্তু অনুপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুনঃ তথ্য প্রযুক্তি পেশাদারদের আকর্ষিত করতে কলকাতায় কো লিভিং স্পেস

এমনকি রেড রোডে দুর্গাপুজোর কার্নিভালে চারঘণ্টা তাঁকে ব্ল্যাক আউট করে রাখা হয় বলে অভিযোগ তোলেন রাজ্যপাল। এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন রাজ্যপাল।

যা ঘিরে রীতিমতো কটাক্ষ করে রাজ্য সরকার। সোমবার উত্তর ২৪ পরগণার বৈঠক বাতিলের ঘটনা সেই আগুনে ফের ঘৃতাহুতি দিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here