দ্য পিপল ডেস্কঃ জিয়াগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও সন্তান সহ শিক্ষক পরিবারের তিন সদস্যকে খুনের ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে একাধিক তথ্য উঠে এল।

বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লালবাগ জানান,  পেশায় শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পাল শিক্ষকতার পাশাপাশি ব্যবসাও করতেন। বেশ কিছু টাকা ধার করে শোধ না করায় সমস্যায় পড়েন। সে কারণেই সাগরদিঘি এলাকা ছেড়ে জিয়াগঞ্জে বসবাস শুরু করেন তিনি। সে কারণে খুন হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।  

ঘর থেকে হাতে লেখা একটি নোট উদ্ধার হয়। নোটটি শিক্ষকের স্ত্রী বিউটি পালের বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে পারিবারিক বিবাদের কারণেও খুন করা হতে পারে বলেও অনুমান করছে পুলিশ।  

তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এই খুন বলেই মনে করা হচ্ছে।

খুব শীঘ্রই দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে এবং স্বচ্ছ তদন্ত করে তাদের শাস্তি দিতে হবে, আবেদন করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান রেখা শর্মা। মৃত শিক্ষক আরএসএস কর্মী ছিলেন বলেও দাবি তাঁর।

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে থেকে তিনজনের মৃতদেহ তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে।

পরিবারের সদস্য বন্ধুপ্রিয় সরকার জানিয়েছেন,  ষড়যন্ত্র করে খুন করা হয়েছে। অথচ পুলিশ কাউকেই আটক করতে পারেনি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সিআইডি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here