দ্য পিপল ডেস্ক : গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে লকডাউন অমান্য করেই চলল মারধর এবং বাড়ি ভাঙচুর। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।


বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হাবড়া থানার জয়গাছি খেলার মাঠ এলাকায়।


সূত্রের খবর,বছর দুয়েক আগে এই এলাকার বাসিন্দা বিউটি পালকে পাশ্ববর্তী ‌হাবড়া ৩০ নম্বর রেলগেট এলাকার বাসিন্দা আশা দত্ত ধর্ম মা বলে ডেকেছিলেন।


এক বছর আগে বিউটি পালের এক আত্মীয় অর্ঘদ্বীপ পালের সঙ্গে আশা দত্তের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক অশান্তির কারণে বাড়িতেই থাকতেন আশা দত্ত। এর কারণ হিসেবে আশা দেবীর দুই বাড়ি থেকেই তাঁর ধর্ম মাকে দায়ী করা হত।


কিছু দিন পর আশা তাঁর নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে অশান্তি করে চলে আসেন ধর্ম মায়ের বাড়িতে। অশান্তির কারণে একাধিকবার আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন আশা দেবী। ধর্ম মায়ের বাড়ি এসেও থামেনি সেই কাজ।


গত ২৬ তারিখ গায়ে আগুন দিয়ে বাপের বাড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন আশাদেবী। এরপর গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।


পরে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের তরফে তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার সেখানেই মৃত্যু হয় আশা দেবীর।


এরপরই আশাদেবীর পরিবারের লোকজন বিউটি পালের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। বিউটি পালের স্বামী, ছেলেকে মারধর করে ও তাঁদের বাড়িতেও ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হাবড়া থানার বিশাল পুলিশ এবং কমব্যাক্ট ফোর্স।


মৃতার বাবার দাবি, বিউটি পালের ছেলে সায়ন পালের সঙ্গে গোপনে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কারণেই আত্মহত্যা করেছেন মেয়ে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সায়ন পালকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


এছাড়াও লকডাউন অমান্য করার অপরাধে মামলা রুজু করে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে হাবড়া থানার পুলিশ।