দ্য পিপল ডেস্কঃ ভারতে নাশকতা চালাতে পাক সেনা ও আইএসআই-এর সহায়তায় একজোট হচ্ছে একাধিক জঙ্গি সংগঠন। তার মধ্যে আছে লস্কর-ই-তৈবা, হিজবুল মুজাহিদিন ও জইশ-ই-মহম্মদ।

এই জঙ্গি সংগঠনগুলির টার্গেট হয়ে উঠেছে জম্মু-কাশ্মীর সহ দেশের একাধিক জনবহুল জায়গা এবং সেনা ও পুলিশ বাহিনী।   

ফের পুলওয়ামার মতো ঘটনা ঘটাতে এই জঙ্গি সংগঠনগুলি নিজেদের মধ্যে কাজ ভাগ করে নিচ্ছে বলে গোপন সূত্রে খবর মিলেছে।

একারণে পুলওয়ামার আশেপাশের কোনো এলাকায় উল্লেখ্য সমস্ত জঙ্গি সংগঠনের নেতৃত্ব একসঙ্গে একটি মিটিংও করেছে।

ভবিষ্যতে কীভাবে ওই জঙ্গি সংগঠনগুলি একসঙ্গে কাজ করবে তার একটি রূপরেখাও তৈরি হয় এই আলোচনা থেকে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

জানা গেছে, রাজনৈতিক নেতৃত্বরাও বাদ পড়ছেন না জঙ্গিদের তালিকা থেকে। পুলিস ও সেনা বাহিনীর পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরাও জঙ্গি আক্রমণের তালিকায় থাকছেন।

ওই সংবাদমাধ্যম সূত্রে আরও জানা গেছে, জইশের দায়িত্ব পেয়েছে জাতীয় সড়কে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটানোর। পুলিশ বা সেনা প্রতিরক্ষার উপর আক্রমণের দায়িত্ব পেয়েছে লস্কর-ই-তৈবা। উপত্যকার জনজীবন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে না দেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছে হিজবুল মুজাহিদিন।


সূত্রের খবর, সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশে হিজবুল ইতিমধ্যে তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। উপত্যকায় বিভিন্ন পোস্টার দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে, পথে বেরতে দেওয়া হচ্ছে না।

দোকান-বাজার বন্ধ রাখতে চাপ দেওয়া হচ্ছে উপত্যকার সাধারণ মানুষকে। পেট্রোল পাম্প খুলতে দেওয়া হচ্ছে না। স্বাভাবিক জনজীবনে ফিরতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

তবে পেট্রোল পাম্প খোলা আছে, মানুষ সেখানে আসছেন। সব সময় নজর রাখছে নিরাপত্তা বাহিনী। জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের ডিজিপি দিলবাগ সিং।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here