দ্য পিপল ডেস্ক : দিন দিন ক্রমশ আধুনিক হচ্ছে সমাজ। আগে একজন বিবাহিত নারীর পরিচয় বোঝা যেত তাঁর শাখা, সিঁদুর দেখে।

শাড়ি পড়ার পাশাপাশি এই বৈবাহিক রীতিনীতি প্রত্যেক নারীকেই মেনে চলা বাধ্যতামূলক। এর ফলে নাকি স্বামীর মঙ্গল হয়।


কিন্তু যুগ এখন পরিবর্তনের। নিজেকে অত্যাধুনিক বানানোর তাগিদে নারী ভুলেই গিয়েছে সেই রীতিনীতি। প্রথমে শাখা পলা খুলে একটি নোয়া পড়ে থাকতে দেখা যায়।

দিন যত গড়াচ্ছে তার সঙ্গে সঙ্গে সেই এক চিলতে সিঁদুরও যেন ফ্যাকাশে হয়ে প্রায় মুছেই গিয়েছে। অথচ সেই নারী বিবাহিত।


কিছু পুরুষের প্রশ্ন, তবে সে যে বিবাহিত তাঁর প্রমাণ কোথায়? এর উত্তরের সাপেক্ষে অনেক নারীকে বলতে শোনা গিয়েছে, পুরুষ যে বিবাহিত তাঁর প্রমাণ কোথায়?


গুয়াহাটিতে নারীর এই সিঁদুর পড়া নিয়ে বর্তমানে জল গড়িয়েছে বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত। সূত্রের খবর, বিবাহিত এক পুরুষ তাঁর স্ত্রী-র শাখা সিঁদুর না পড়া নিয়ে গুয়াহাটি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে এবং বিবাহ বিচ্ছেদের আর্জি জানায়।


ওই ব্যক্তির দাবি, স্ত্রী শাঁখা, সিঁদুর না পড়া মানে তাঁর স্বামীকে অস্বীকার করা। সবটা জেনে হাইকোর্টে সেই মামলা মঞ্জুরও হয়।


জানা গিয়েছে, ২০১২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ওই দম্পতির বিয়ে হয়। এক বছর পর পারিবারিক কোনও কারণে তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন। এরপরই ওই মহিলার স্বামী আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ দেখিয়ে মামলা দায়ের করেন।


মামলায় স্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনও প্রতি উত্তর না পাওয়ায় ওই মামলা স্থগিত রাখা হয়। পরে ওই ব্যক্তি উচ্চ আদালতে নিয়ে যান।


তখন স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, তাঁর স্বামীর সঙ্গে তিনি সম্পর্ক চালিয়ে যেতে রাজি নন। এরপরই বিচারকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মামলা মঞ্জুর করা হয়।