দ্য পিপল ডেস্কঃ চন্দননগর তেলিনিপাড়ায় এক বিশেষ সম্প্রদায়ের দ্বারা ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগ ও ব্যাপক বোমাবাজির ঘটনায় সাধারণ মানুষের দূরবস্থার কথা জানিয়ে মাননীয় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের হাতে চিঠি দিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ অর্জুন সিং, মুকুল রায়, সব্যসাচী দত্ত সহ বিজেপির শীর্ষনেতৃত্বরা। উল্লেখ্য, সোমবার সাংসদ এলাকা পরিদর্শে যান সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সেখানে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেন লকেট।

তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেন রাজ্য সরকার, মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিবের। অভিযোগ করেন, করোনা আক্রান্ত রোগীকে অবাধে ঘুরে বেড়ানোতে বাধা দেওয়ায় তেলিনিপাড়ায় ভাঙচুর, লুটপাট, মারধর চালানো হয়।

লকেটের অভিযোগ, চনন্দনগর হটস্পট হয়ে উঠছে। রাজ্য সরকার সংখ্যা দেখাচ্ছে না। কাউন্সিলর ফিরোজ শাহের নেতৃত্বে একদল মানুষ লুঠ চালিয়েছে।

সরাসরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দিকে আঙুল তুলেছিলেন লকেট। বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা লোপ পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে উত্সাহ পাচ্ছে। এক শ্রেণিকে উনি ছাড় দিয়েছেচন, বলেও অভিযোগ করেন লকেট।

লকেটের অভিযোগ, চন্দননগরের কমিশনার এলাকার সাংসদকে নিজের অফিস থেকে বেরোতে দেননি। একাধিক অভিযোগ নিয়ে অবশেষে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিজেপি নেতারা।

তবে এদিন বক্তব্য রাখেননি রাজ্যপাল। এতে রাজ্য-রাজ্যপাল তরজা আরও একপ্রস্থ বাড়বে কিনা সেটাই দেখার।