দ্য পিপল ডেস্কঃ  কথায় আছে বাঙালি মানেই খাদ্য রসিক। আর কোনও অনুষ্ঠান বা পুজো পার্বন মানে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া। এই খাবারের শেষ পাতে মিষ্টি কিন্তু মাস্ট। আর সেই পার্বন যদি দুর্গাপুজো হয়, তাহলে তো ছেড়ে দিন।

গোটা পাঁচ দিন জুড়ে বাঙালির পাতে মাছ হোক বা মাংস কিংবা লুচি, আলুরদম। শেষ পাতে অবশ্যই চাই রসেভরা রসমালাই, রসোগোল্লা কিংবা জলভরা সন্দেশ। না হলে যেন কোথাও খাবার পরিবেশনে অসমাপ্ত রয়ে যায়।

যদিও সময় বদলেছে। সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে বাঙালির মনের ফ্লেভার। টেকনোলজির যুগে চলতে চলতে সব কিছুতে ভ্যারাইটিস খুঁজতে শুরু করেছে মানুষ। তাই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নয়া নয়া ফ্লেভার আনছেন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ময়রারা।

কিন্তু এখনও কলকাতার বেশ কিছু শতাংশ মানুষ আছে যারা পুরানো ঐতিহ্যকে বহন করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। নতুন-পুরানোর এই দ্বন্দ্বে নাজেহাল মিষ্টি দোকানের মালিকরাও। এই সমস্যার সমাধান করতেই ময়রারা পুরানো ধরনকে নতুন মোড়ক দেওয়ার চেষ্টা করছে।

এই নতুন-পুরোনো মোড়কের মধ্যে এবছরের সেরা কিছু মিষ্টির তালিকায় উঠে এসেছে, ডাবের শাঁস দিয়ে তৈরি ডাবের জলে মাখা সন্দেশ, নারকেল নাড়ু, লাড্ডুর মিহিদানার পুর, কোহিনূর সন্দেশ, বেকড মালাই চমচম বা স্ট্রবেরী ফ্লেভার ক্রিমি রসমালাই-এর মতো মিষ্টি ।

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকান হেঁদুয়ার গিরিশচন্দ্র দে অ্যান্ড নকুড়চন্দ্র নন্দীর দোকানের এবছরের স্পেশাল মিষ্টি কেশর ও পোস্ত দিয়ে তৈরি কেশর রসগোল্লা।

পাশাপাশি থাকছে কেশর উৎসবও। যেটি উপরে কেশর ও ভিতরে পেস্তা ও কাঠবাদামের পুর। এবং রোস্টেড কাঠবাদাম সন্দেশ।

এবছরে কেসি দাসের স্পেশাল মিষ্টি গন্ধরাজ, ব্ল্যাক কারেন্ট ও চকোলেট ফ্লেভারের রসোগোল্লা। সঙ্গে থাকছে রসভরা মিষ্টি যার উপরিভাগ সাজানো জাফরান, স্ট্রবেরি ও চকোলেট দিয়ে। এটির নাম ত্রিনয়নী।       

সঙ্গে থাকছে মিষ্টি দইও।

মিষ্টি বিক্রেতাদের কথা, গত কয়েক বছরের মত এবারেও ফিউশন মিষ্টি নজর কাড়বে সকলের। তাদের আশা, এবারের পুজোর কটা দিন আমবাঙালির পাতে ভ্যারাইটিস মিষ্টি সাজিয়ে তারা রসনা পুরণে সক্ষম হবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here