ফুলশয্যার রাত -এ যৌনমিলন ভালো নয়!

0
185
ফুলশয্যার রাত -এ যৌনমিলন ভালো নয়!

দ্য পিপল ডেস্কঃ প্রকৃতির নিয়মেই ঘর বাঁধে মানুষ। প্রকৃতির নিয়মেই প্রেমে পাগলপারা হয় নারী-পুরুষ।

যে মিলনাকাঙ্খায় পশু-পাখি সাথী খুঁজে নেয়, সেই একই তাড়নায়ও মানুষ ছোটে সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনীর খোঁজে।

তবে অমৃতের পুত্র মানুষ তার যৌনজীবনকেও রাঙিয়ে নিয়েছে উৎসবের রংয়ে। বিশেষত হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

যৌনজীবনের প্রথম রাতটি যাতে চির স্মরণীয় হয়ে থাকে, সেজন্য ধার্য হয়েছে একটা গোটা দিন। সেই দিনটিই ফুলশয্যা।

এদিনই কোনও কুমারীর কম্পিত অধরে প্রথম ভালোবাসার চিহ্ন এঁকে দেবেন কোনও কুমার। এই রাতেই কোনও যুবক স্পর্শ করবেন যুবতীর শরীর।

অজানিত উত্তেজনায় কাঁপতে থাকবে নারী হৃদয়। বক্ষবিভাজিকায় কান পেতে যে শব্দ শোনার চেষ্টা করবেন কোনও দুষ্টু ছেলে।

কিংবা ভালোবাসার প্রথম পাঠ শোনার জন্য পুরুষ সঙ্গীর রোমশ বুকে মাথা রাখবেন কোনও তরুণী।

নারী-পুরুষের মিলনের প্রথম রাতটি তাই হিন্দুদের কাছে একটি বিশেষ দিন। যৌনসঙ্গম যাতে সুখের হয়, সেজন্য ফুল দিয়ে সাজানো হয় খাট-বিছানা।

ফুল এবং সুগন্ধীর গন্ধে মন হয় কামনা-মদির। মিলনের এত ভালো পরিবেশে স্বাভাবিক ভাবেই উত্তেজিত হয় নারী-পুরুষ।

এই মোহময়ী পরিবেশের হাতছানি এড়াতে পারেন না নব দম্পতি। অনাস্বাদিতপূর্ব অভিজ্ঞতার স্বাদ পেতে ফুলশয্যার রাতেই তাঁরা মাতেন শরীরি খেলায়।

ফুলশয্যার রাত -এ যৌনমিলন কতটা স্বাস্থ্যসম্মত?

ফুলশয্যার রাতে রতিসুখ পাওয়ার চেষ্টা করাই যেতে পারে, বলছেন গবেষকদের একাংশ। যদিও অন্য একদলের মতে, ফুলশয্যার রাতে রতিসুখ পাওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো।

এঁদের মতে, এর কারণ যতটা না শারীরিক, ততটাই মানসিক। ফুলশয্যার রাতই যদি কোনও নারী-পুরুষের মিলনের প্রথম রাত হয়, তবে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করবে না নারীর যোনিতে।

সেক্ষেত্রে যৌনজীবন আনন্দের না হয়ে হবে যন্ত্রণাদায়ক। এটি নারীর কাছে আতঙ্কের হয়ে উঠতে পারে। এই অভিজ্ঞতা ওই নারী বয়ে বেড়াতে পারেন সারাজীবন।

Indian groom holding the hands of his bride

এতো গেল শরীরের কথা। মানসিক দিকটিও উপেক্ষা করার নয়। অপরিচিত পুরুষ সঙ্গীটি ঠিক কেমন, তা জানা না থাকায় প্রথমেই যৌনসঙ্গমে যেতে রাজি হন না মহিলারা।

যদি বাধ্যও হন, তবে সঙ্গীর সম্পর্কে তাঁর একটা বাজে ধারণা হয়ে যায়।

তাই ফুলশয্যার রাতে সঙ্গমে জোর করবেন না সঙ্গিনীকে। প্রথমে তাঁর সঙ্গে আলাপ করুন।

আপনার পছন্দ-অপছন্দ তাঁকে জানিয়ে দিন স্পষ্ট করে। জেনে নিন তাঁর পছন্দ-অপছন্দও।এর পর আলোচনা করুন  যৌনজীবন নিয়ে।

তাঁকে বুঝিয়ে দিন, যৌনজীবনে মৌন থাকার কোনও মানে নেই। এতে আদতে সময় নষ্ট হয়। যৌনজীবন উপভোগ করার সময় কমে।

পৃথিবীর চলমান ছন্দ বাঁচিয়ে রাখতেই প্রয়োজন নারী-পুরুষের মিলনের।

এর পর যখন দেখবেন, আপনার সঙ্গীনি শারীরিক এবং মানসিক দিক থেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত, তখনই মেতে যান আদিম খেলায়।

যে খেলার শুরু হয়েছিল সেই আদম-ইভের কালে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here