নারীর যৌন চাহিদা কম!

0
171

দ্য পিপল ডেস্কঃজীবনের অন্যতম অঙ্গ যৌনসঙ্গম। সঙ্গমের ফলে একদিকে যেমন জন্ম হয় সন্তানের, তেমনি ভালো থাকে শরীর-মন।

অথচ এই যৌনজীবন সব সময় সুখের হয় না। তার কারণ, অধিকাংশ মানুষই বোঝেন না তাঁর সঙ্গী অথবা সঙ্গিনীর চাহিদা ঠিক কতটা। সেই চাহিদা পূরণ করার উপায়ই বা কী।

নারীর যৌন চাহিদা গবেষণা

আমেরিকার কিনসে ইনস্টিটিউট মানুষের যৌনজীবন নিয়ে গবেষণা করে নিত্য। সেখানেই দেখা গিয়েছে, পুরুষের তুলনায় নারীদের যৌন চাহিদা কম।

অন্য সব প্রাণীর যৌন জীবন কেবলই শরীরি চাহিদা মেটানোর একটি পদ্ধতি মাত্র। আর মানুষ রতিখেলায় মাতে বিনোদনের কারণেও।

নারীর যৌন চাহিদা 01

যে কারণে সব প্রাণীর একটি নির্দিষ্ট প্রজনন ঋতু রয়েছে। আর মানুষ নৈশলীলায় মাতে প্রতিটি ঋতুতেই। যৌনজীবন যাপনের জন্য মানুষের প্রয়োজন হয় উপযুক্ত পরিবেশেরও।

সংস্কৃতিভেদে যৌনক্রিয়ার তারতম্য

মানুষের যৌন সংস্কৃতিও দেশ-কাল ভেদে ভিন্ন ভিন্ন। তরুণ-তরুণীর যৌনক্রিয়া দম্পতির যৌনক্রিয়ার থেকে আলাদা।

আবার ভারতীয় কোনও দম্পতির রতিক্রীড়ার সঙ্গে আকাশ-পাতাল ফারাক দেখা যায় জার্মানির কোন দম্পতির যৌনসঙ্গমের।

কী কারণে ফারাক হয়? গবেষকরা দেখেছেন, দেশ-কাল ভেদে নারী-পুরুষের যৌন চাহিদাও কমবেশি হয়। নারীদের চাহিদাও একই নয়।

নারীর যৌন চাহিদা কম কেন?

এটাও আলাদা আলাদা হয় দেশ-কাল ভেদে। একই এলাকার নারীদের মধ্যেও যৌনচাহিদার  পার্থক্য রয়েছে। কোনও কোনও নারী অত্যধিক যৌনকাতর।

কেউ কেউ আবার যৌনশীতল। এই দুই ধরনের নারীকেই পছন্দ করেন না অধিকাংশ পুরুষ। যাঁদের যৌনচাহিদা মধ্যম, তাঁদেরই কামনা করেন পুরুষরা।

তবে সঙ্গমের সময় একই সঙ্গে দুজন উত্তেজিত না হলে মিলনের আনন্দ অধরাই থাকে।

মিলনের সময় পুরুষ নারীর শরীর স্পর্শ করলেই নারীর যৌন উত্তেজনা জাগে। নারী শরীরে শুরু হয় কম্পন। এই উত্তেজনার পারদ যত চড়বে, মিলন ততই মধুর হবে।

তবে চূড়ান্ত রতিসুখ পেতে হলে নারী শরীরের কয়েকটি গোপন বিষয় জানা জরুরি।

গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, নারীর যৌনচাহিদা পুরুষের চার ভাগের একভাগ। কিশোরী এবং তরুণীদের যৌনকামনা সবচেয়ে বেশি।

আরও পড়ুন

আঠারো বছরের পর নারীর যৌন চাহিদা ক্রমশ কমতে থাকে। তবে কোনও কোনও নারীর চূড়ান্ত সঙ্গমেচ্ছা রয়ে যায় আজীবন।

যৌনচাহিদায় নারী লাগাম টানতে পারে ভালোই। পঁচিশ বছরের পর কোনও নারী যৌনমিলন ছাড়াই থাকতে পারেন মাসের পর মাস।

মিলনের সময় পুরুষ রোমান্টিক হোক, চান সব মহিলাই। শরীরি সম্পর্কের সময় ভালোবাসার কবিতা বলুক পুরুষ। শরীরি খেলায় আসুক নিত্য নতুন ভঙ্গিমা, চান সব মহিলাই।

মিলনের সময় ক্লিটোরিজ বা ভগাঙ্কুরের মাধ্যমে অর্গাজম চান না পৃথিবীর কোনও দেশের মহিলাই। তাঁরা চান, অর্গাজম হোক যৌন মিলনেই।

নারী তাঁর এই তৃপ্তির জন্য নির্ভর করেন সঙ্গীর ওপর।

সঙ্গিনীর শরীর এবং মনের হদিশ পেলে যৌনসঙ্গম হবে সততই সুখের। মনে রাখবেন, নারী হল পুরুষের হাতের বীণা। যেমন বাজাবেন, তেমনি বাজবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here