দ্য পিপল ডেস্ক : গোটা বিশ্ব জুড়ে রীতিমত ত্রাস ছড়িয়েছে নভেল করোনাভাইরাস। করোনা আক্রান্তের বিচারে শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল।

এর পরেই সংক্রমণের নিরিখে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে ভারত।

ভারতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ লক্ষ এক হাজার ৩০৭ জন। ভারতের মধ্যে সংক্রমণের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র। একসময় দিল্লিতেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল সংক্রমণ।

এখন তাতে লাগাম পড়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে কিষান রেড্ডি দিল্লির এই সংক্রমণ নিয়ে মুখ খুললেন।

এদিন তিনি বলেন, দেশের সমস্ত রাজ্যের উচিত দিল্লির মডেল মেনে চলা। কড়া লকডাউন ও উন্নত চিকিৎসার স্ট্রাটেজি নিয়ে সংক্রমণকে রোধ করতে উদ্যোগী হয়েছে দিল্লি সরকার।

এদিন হায়দ্রাবাদের তেলেঙ্গানা ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সাইন্স এন্ড রিসার্চের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জে কিষান রেড্ডি।

সেখানেই এদিন বলেন, দিল্লি একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। গোটা দিল্লি নিজে পর্যবেক্ষণ করেছেন তিনি। দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সুস্থতার হার ৮৪ শতাংশ।

দেশের সমস্ত রাজ্যের উচিত দিল্লির পথেই চলা।দেশে যেখানে সুস্থতার হার ৬৪.৫২ শতাংশ। সেখানে দিল্লিতে সুস্থতার হার ৮৮ শতাংশ। ভারতে এখন সংক্রমণ দিল্লিতে কম হচ্ছে।

আক্রান্ত হলেও তার যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে সরকার। গোটা দেশে সংক্রমণের নিরিখে একাদশ স্থানে অবস্থান করছে দিল্লি। রাজধানী দিল্লিতে চলছে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে কেউ সংক্রমিত হয়েছেন কিনা। অথচ শনিবার থেকে এক সপ্তাহ বাজার হোটেল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বাইজল এই সিদ্ধান্ত নাকচ করেছে। লকডাউনে বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে সাজাতে চাইছে কেজরি সরকার।